ত্বকের যত্নে মুখের প্রতি যতটা মনোযোগ দেওয়া হয়, হাতের ক্ষেত্রে তা অনেক সময় দেখা যায় না। অথচ শরীরের যেসব অংশে বয়সের ছাপ প্রথমে ফুটে ওঠে, হাত তার অন্যতম। সূক্ষ্ম রেখা, বলিরেখা, বয়সের দাগ এবং ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়ার মতো পরিবর্তন হাতেই আগে দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মুখের তুলনায় হাত প্রতিদিন বেশি ক্ষতির মুখোমুখি হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি, ঘন ঘন হাত ধোয়া, সাবান, জীবাণুনাশক এবং বিভিন্ন পরিষ্কারক দ্রব্যের সংস্পর্শে এসে হাতের ত্বক দ্রুত শুষ্ক ও দুর্বল হয়ে পড়ে।
হাতের পেছনের দিকের ত্বক স্বাভাবিকভাবেই তুলনামূলক পাতলা এবং সেখানে চর্বির পরিমাণ কম থাকে। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা কমে গেলে হাড় ও শিরা আরও স্পষ্ট দেখা যায়। একই সঙ্গে সূর্যের আলো থেকে সৃষ্ট পিগমেন্টেশন বা কালচে দাগও হাতের সৌন্দর্যে প্রভাব ফেলে।
বিশেষ করে অনেকেই মুখে নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলেও হাতের কথা ভুলে যান। দীর্ঘদিন সূর্যের সংস্পর্শে থাকলে হাতের ত্বকে বলিরেখা, দাগ এবং শুষ্কতা বাড়তে পারে।
তবে সামান্য যত্নেই হাতকে দীর্ঘদিন সুস্থ ও তারুণ্যময় রাখা সম্ভব। বাইরে বের হওয়ার আগে হাতের পেছনের অংশে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা, হাত ধোয়ার পর নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার লাগানো এবং কড়া রাসায়নিকযুক্ত পরিষ্কারক ব্যবহারের সময় দস্তানা পরা উপকারী।
মুখের মতো হাতও প্রতিদিন নানা কাজের চাপ সহ্য করে। তাই নিয়মিত যত্ন নিলে হাতের ত্বক দীর্ঘদিন নরম, মসৃণ ও স্বাস্থ্যকর রাখা সম্ভব।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন