× UCB Sticker Card
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ০২:৪৯ এএম

গুড় কি চিনির চেয়ে ভালো? জানুন এই তথ্য...

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ০২:৪৯ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

গুড়কে অনেক সময় সাদা চিনির তুলনায় স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কম প্রক্রিয়াজাত হওয়ার কারণে এতে কিছু খনিজ উপাদান অক্ষুণ্ণ থাকে। তবে মনে রাখা জরুরি, গুড়ও এক ধরনের চিনি। এতে প্রায় চিনির সমান ক্যালোরি থাকে এবং অতিরিক্ত গ্রহণ করলে একই ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই চিনির বদলে গুড় ব্যবহার করলেই খাদ্যাভ্যাস স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্বাস্থ্যকর হয়ে যায় না।

চা, মিষ্টি বা খাবারের পর মুখরোচক হিসেবে গুড়ের ব্যবহার ভারতীয় উপমহাদেশের রান্নাঘরে দীর্ঘদিনের। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি সাদা চিনির একটি ‘স্বাস্থ্যকর’ বিকল্প হিসেবেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তবে প্রশ্ন হলো—গুড় কি সত্যিই চিনির চেয়ে ভালো?

আখের রস বা তালের রস ফুটিয়ে ঘন করে গুড় তৈরি করা হয়। অন্যদিকে, সাদা চিনি তৈরি হয় আরও পরিশোধিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। গুড় কম প্রক্রিয়াজাত হওয়ায় এতে সামান্য পরিমাণে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান থাকতে পারে। তবে এসব পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ খুবই কম, তাই দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য গুড়ের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়।

গুড় সম্পর্কে সবচেয়ে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলোর একটি হলো—এটি চিনিমুক্ত। বাস্তবে গুড়ও এক ধরনের চিনি এবং এতে সাদা চিনির কাছাকাছি পরিমাণ ক্যালোরি থাকে। অতিরিক্ত গুড় খেলে শরীরে বাড়তি ক্যালোরি যোগ হয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে গুড়ের কোনো স্থান নেই। সাদা চিনির পরিবর্তে গুড় বেছে নিলে কিছুটা সুবিধা পাওয়া যেতে পারে, কারণ এটি কম পরিশোধিত এবং এতে অল্প পরিমাণে খনিজ উপাদান থাকে। কিন্তু গুড় ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পরিমিতি বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চা বা খাবারে চিনি কিংবা গুড়—যেটিই ব্যবহার করা হোক না কেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অতিরিক্ত মিষ্টি গ্রহণ কমানো। একটি মিষ্টিকারক উপাদানের পরিবর্তে অন্যটি ব্যবহার করলেই খাদ্যাভ্যাস স্বাস্থ্যকর হয়ে যায় না; বরং নির্ভর করে মোট কতটা চিনি গ্রহণ করা হচ্ছে এবং সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস কেমন তার ওপর।

Link copied!