পার্বত্য জেলা বান্দরবানে পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ৫টি অবৈধ ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও স্পেশাল পরিবেশ আদালতের পেশকার মাহবুব কাদের।
আদালত ও পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার পাঁচটি উপজেলায় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই ৭০টি ইটভাটা গড়ে তোলা হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ৪২টি ভাটা সচল রয়েছে।
অবৈধ এসব ভাটার বিরুদ্ধে একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে এবং কিছু ভাটা এক্সকাভেটর দিয়ে ধ্বংস করা হলেও পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।
পরিবেশ অধিদপ্তর ৮টি ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। এর মধ্যে ৫টি মামলায় আটজন মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন বান্দরবানের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও স্পেশাল পরিবেশ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনোয়ার হোসেন।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিবিএম ইটভাটার মালিক মোহাম্মদ আবু ছৈয়দ, আবুল বশর ও ফরিদ আহমদ।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম জানান, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ৮টি ভাটার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
পরোয়ানা জারি হওয়া মালিকরা হলেন, থানচি উপজেলার এমএসবি ভাটার মালিক আনিসুর রহমান সুজন, আলীকদম উপজেলার এবিএম ইটভাটার মালিক সামছুদ্দিন ও এখলাচুর রহমান।
ইউবিএম ইটভাটার মালিক জামাল উদ্দিন, এফবিএম ইটভাটার মালিক শওকত তালুকদার, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিবিএম ইটভাটার মালিক মোহাম্মদ আবু ছৈয়দ, আবুল বশর ও ফরিদ আহমদ।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম জানান, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং ৮টি ভাটার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।


