বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার চামরুল ইউনিয়নের বেরুঞ্জ নয়াবাড়ি এলাকায় রাতের আঁধারে অবৈধভাবে পুকুরের মাটি কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক প্রভাবশালী নেতা সনেটের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সনেট ও তার সহযোগীরা গভীর রাতে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে পুকুর ও ফসলি জমির মাটি কেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছে। এতে একদিকে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে কৃষিজমির উর্বরতা হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসী আরও জানান, রাতভর ডাম্প ট্রাক ও মাটি বহনকারী যানবাহন চলাচলের কারণে এলাকার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ধূলাবালি ও শব্দদূষণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও রোগীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে রাতের অন্ধকারে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রভাবশালীদের ভয়ে অনেকে মুখ খুলতে সাহস পান না।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, অবৈধভাবে পুকুর ও ফসলি জমি থেকে মাটি উত্তোলনের ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এতে জলাধারের স্বাভাবিক কাঠামো নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কৃষি উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সনেটের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন