জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা বলেছি—আলেম-উলামাদের পেছনে রেখে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগোতে পারে না। প্রথমেই হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনের শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে শহীদদের এবং আধিপত্যবাদী মোদিবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখেছি আলেম-উলামারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। ফ্যাসিবাদীরা তাদের নানারকম ট্যাগ দিয়ে দেশের সব সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছে।’
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের প্রধান ফটক পৌর মুক্তমঞ্চ মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের নির্বাচনি পদযাত্রায় এসব কথা বলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। ‘সুশাসন, সংস্কার ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে’ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এই নির্বাচনি পদযাত্রার আয়োজন করে।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, শেখ হাসিনার মতো স্বৈরাচার আর দেখতে না চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন। ভোটাধিকার রক্ষা করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিন। তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এবং ফ্যাসিবাদ থেকে জনগণকে মুক্ত করার সংগ্রামে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অবদান পুরো বাংলাদেশ আজীবন মনে রাখবে। আমরা বিগত সময়ে দেখেছি, ফ্যাসিবাদী সরকার গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে বঞ্চিত করেছে এবং বৈষম্যের শিকার করেছে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী মো. আতাউল্লাহ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমজাদ হোসেন আশরাফী।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন: এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনিরা শারমিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাসিন হাসান, জেলার সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ মাওলানা মোহাম্মদ আলী, এনসিপির জেলা সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল হক চৌধুরী, জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি ফরহাদ সোহেলসহ জেলা ও উপজেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।



