× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১০:৫২ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের এক প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১০:৫২ পিএম

ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী আবু হানিফের ওপর হামলার। ছবি : সংগৃহীত

ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী আবু হানিফের ওপর হামলার। ছবি : সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী আবু হানিফের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজ এলাকা সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চিনাইরের চাপুইর এলাকায় তিনি হামলার শিকার হন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে পুরো ঘটনাটিকে সাজানো বলে দাবি করা হয়েছে।

চিনাইর গ্রামের বাসিন্দা আবু হানিফ অভিযোগ করে বলেন, প্রচারণার শেষ দিনে তিনি চাপুইর এলাকায় গণসংযোগ চালাচ্ছিলেন। চিনাইর থেকে মিছিল নিয়ে তিনি চাপুইর বাজারে যান এবং সেখানে একটি পথসভায় বক্তব্য রাখছিলেন। এ সময় হিরণ নামে একজনের নেতৃত্বে বিএনপির লোকজন তার ওপর হামলা চালায়। তিনি বলেন, মানবতার রাষ্ট্র গঠনের কথা বলতে গিয়েই তিনি হামলার শিকার হয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাজার এলাকায় গণসংযোগ চলাকালে শেখ হানিফসহ তার সঙ্গে থাকা লোকজনের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় তার হাতে থাকা মাইক কেড়ে নেওয়া হয় এবং স্লোগান দেওয়ার সময় লাঠিসোঁটা নিয়ে আক্রমণ করা হয়।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, হামলার ঘটনাটি সম্পূর্ণ সাজানো। তিনি দাবি করেন, “নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিএনপির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আনা হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কেউ জড়িত নয়।”

এদিকে, এ বিষয়ে জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি শহিদুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Link copied!