× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুর

প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে উচ্ছেদ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুর

প্রকাশিত: মে ৩, ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলা সদর থেকে কুমিল্লার লালমাই পর্যন্ত প্রায় ২৭০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে সড়ক বিভাগ।

রোববার (৩ মে) সকাল ১০টায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অভিযানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহযোগিতা করে।

অভিযানকালে পুলিশ সুপারের বাসভবনের উত্তর পাশ, ওয়ারলেস বিআরডিবি অফিসের সামনে, ইকরা মডেল একাডেমি সংলগ্ন এলাকা, ওয়ারলেস সবজির বাজার, গোশতের বাজার এবং ওয়ারলেস মোড়ের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনের অবৈধ স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

ওয়ারলেস বাজারের ব্যবসায়ী মো. ফেরদৌস জানান, এই জায়গা সড়কের হলেও দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভা বাজার ইজারা দিয়ে আসছে। ইজারাদার নিয়মিত খাজনাও আদায় করছেন বলে তিনি দাবি করেন।

এর আগে সড়ক বিভাগ থেকে এসব এলাকায় নোটিশ দেওয়া হয় এবং মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সড়ক ও জনপথ চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউনুছ আলী বলেন, এটি নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানের অংশ। আজ জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে অভিযান শুরু হয়।

সপ্তাহব্যাপী এ অভিযান চলবে। জেলা সদর থেকে কুমিল্লার লালমাই পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশের ২৭০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের আওতায় আনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, উচ্ছেদের পর ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একটি তালিকা করা হবে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাপ্পি দত্ত রনি বলেন, সড়কের দুই পাশে কিছু নিয়মিত বাজার রয়েছে যেগুলো ইজারা দেওয়া হয়।

এসব বাজারে হাটের দিনে কৃষক ও সাধারণ মানুষ পণ্য বিক্রি করেন, যা অবৈধ দখলের আওতায় পড়ে না। তবে কিছু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে স্থায়ী দোকান স্থাপন করে ব্যবসা করছিলেন, তাদের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!