× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম

সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ, ক্ষতিগ্রস্ত ৫ হাজার বিঘা জমির ধান

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল ও গোমস্তাপুর উপজেলায় থাকা হাজারবিঘী বিলের ইজারাদার সরকারি খালে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণের কারণে পানির নিচে তলিয়ে যায় ৫ হাজার বিঘা জমির ধান।

আসন্ন বর্ষা মৌসুমেও তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অবৈধ বাঁধ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন কৃষকরা। এ সময় কৃষকদের সাথে তাদের সন্তানরাও বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্লাকার্ড হাতে মাঠে নামে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে হাজারবিঘী বিলের ধারে চার শতাধিক কৃষক এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৫ বছর আগে বিল ইজারা নিয়ে পাশে থাকা একটি সরকারি খাল রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক কনক্রিটের বাঁধ দেয় ইজারাদার নাসিম। এতে গতবছর বিলের আশপাশে থাকা প্রায় ৫ হাজার বিঘা জমির ধান পানির নিচে সম্পূর্ণভাবে তলিয়ে যায়। এতে ঘরে ধান তুলতে না পেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় হাজারো কৃষকের। আসন্ন বর্ষা মৌসুমেও এসব জমি তলিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে দিন পার করছেন কৃষকরা। এ নিয়ে প্রশাসনকে দফায় দফায় লিখিত অভিযোগ দিলে সরেজমিন পরিদর্শন করে অবৈধ বাঁধ অপসারণের আশ্বস দিলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উল্টো কৃষকদের নানারকম হুমকি-ধামকি ও মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে ইজারাদার। দ্রুত সময়ের মধ্যে অবৈধ বাঁধ অপসারণ না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন কৃষকরা।

কৃষক জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত সপ্তাহে তারা নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তাদের সমস্যা তুলে ধরে এর সমাধান চাইলেও গত ১০ দিনেও সমস্যার সুরাহা হয়নি। তাই দ্রুত বাঁধটি ভেঙে অথবা আকস্মিক বৃষ্টির পানি বিলে জমা হলে তা নিষ্কাষণের ব্যবস্থা করে কৃষকদের রক্ষা করতে হবে।

বাঁধ অপসারণ করতে গিয়ে মৃত কৃষক নজরুল ইসলামের ভাই ওয়াহাব আলী জানান, ধান রক্ষা করতে গিয়ে তার ভাই মারা গেলেও বিচার পায়নি। আর অবৈধ বাঁধ অপসারণও করা হয়নি। কৃষকদের কথা প্রশাসনও গুরুত্ব দিচ্ছে না।

তবে লিজগ্রহীতা অভিযুক্ত নাসিম আলি জানান, বার বার বাঁধ কেটে মাছ নষ্ট করছে। তিনি উল্টো প্রশ্ন রেখে বলেন, সরকার তাকে বিল লিজ দিয়ে যদি বিলের মাছ চাষ করতে না দেয়, তবে ইজারাদার কি করবে?

নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফোন না ধরলেও গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির মুন্সি জানান, তিনি জেলা সদরে জরুরি কাজে যাচ্ছেন। আর সদ্য যোগ দেওয়ায় বিষয়টি ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে পরে জানাবেন। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!