লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, আমি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। দীর্ঘদিন বিএনপির সঙ্গে ছিলাম। কিন্তু যখন বুঝলাম বিএনপি আর বেশিদিন টিকবে না, তাদের চিকিৎসা দরকার—সে দিনই বিএনপি ত্যাগ করেছি।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
১১ দলীয় জোটের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে কর্নেল অলি আহমদ বলেন, ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে নাকি নারীদের স্বাধীনতা হরণ করবে এবং বিভিন্ন ধর্মের মানুষকে তাদের ধর্ম পালন করতে বাধা দেবে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে কারো ব্যক্তিগত কিংবা ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হবে না। বরং নিঃসন্দেহে নির্ভয়ে সবাই নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারবে। এ দেশের মানুষের বাক্স্বাধীনতা ফিরে পাবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি এখন আগের বিএনপি নেই। এখন এটি ভাড়াটিয়াদের বিএনপি হয়ে গেছে। তাদের দেশ পরিচালনার কোনো সক্ষমতা নেই। তারা ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও আর্থিক খাতে অনিয়ম বাড়বে। তাই এদেশের জনগণ দুর্নীতিবাজকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
বাঁশখালী উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা ইসমাঈলের সভাপতিত্বে এবং দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আবু নাছের ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আরিফ উল্লাহর যৌথ সঞ্চালনায় জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীরবিক্রম)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও হুইপ আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, পীরে কামেল আল্লামা ইসহাক, চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম, নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা মুফতি মুসা বিন ইজহার। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম।
এ ছাড়াও বক্তব্য দেন: দক্ষিণ জেলার সাবেক আমির অধ্যাপক জাফর সাদেক, প্রবীণ জামায়াত নেতা মীম সিদ্দিক ফারুকী, মাওলানা আবদুর রহমান, দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ বদরুল হক, মহানগর ছাত্র শিবির (উত্তর) তানবির হোসেন জুয়েল, দক্ষিণ সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন রনি, খেলাফত মজলিসের দক্ষিণ জেলার সহসভাপতি নেছার উদ্দিন, নেজামে ইসলাম পার্টির মাওলানা ফজলুল করিম জিহাদী, দক্ষিণ জেলা নেতা বোরহান উদ্দিন রাজী, কেন্দ্রীয় সহ: সেক্রেটারি মো. ইসহাক, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দক্ষিণ জেলার সভাপতি নুর হোসেন, খেলাফত মজলিসের মাওলানা মাহবুবর রহমান, ভিপি বোরহান উদ্দিন, আজিজুল হক, এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আরিফ মাইনুদ্দীনসহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


