চট্টগ্রামে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর সন্তানকে নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন জহিরুল ইসলাম নামের এক যুবক।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর পতেঙ্গা থানার ৪১ নম্বর পতেঙ্গা ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
হত্যার শিকার গৃহবধূর নাম হালিমা আক্তার। আর জহিরুল ইসলাম লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকার বাসিন্দা। তাদের সন্তানের বয়স ৪ বছর।
ঘটনার পর জহিরুল ইসলাম নিজে ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে স্ত্রী হালিমা আক্তারকে খুনের বিষয়টি পুলিশকে জানান। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে পতেঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মাস-খানেক ধরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। জহিরুল ইসলাম মধ্যপ্রাচ্যে থাকতেন। কয়েক বছর আগে তিনি দেশে ফিরে এসে পতেঙ্গা এলাকায় লেগুনা চালিয়ে সংসারের খরচ চালাচ্ছিলেন। শনিবার পেঁয়াজু বানানো নিয়ে জহিরুল ও হালিমার মধ্যে ঝগড়া লাগে। ঝগড়ার একপর্যায়ে জহিরুল ছোরা দিয়ে হালিমার মাথায় সজোরে আঘাত করেন। এতে হালিমা গুরুতর জখম হন।
স্থানীয়রা হালিমাকে দ্রুত উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম তাদের ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা গেছে।
পতেঙ্গা থানার ওসি মোস্তাফা আহম্মেদ জানান, এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। জহিরুল আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে রাজি না হলে তার রিমান্ড আবেদন করা হবে বলেও জানান ওসি।


