× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম

চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৮ বাংলাদেশি উদ্ধার, ২ দালাল আটক

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে অবৈধভাবে ভারতে পাচারের সময় ৪ শিশুসহ ৮ বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত দুই দালালকে আটক করা হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় জীবননগর থানা কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের এ তথ্য জানান।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন আগে অবৈধভাবে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে বসবাস করতেন। প্রায় ৭-৮ মাস আগে তারা সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরেন। পরে পুনরায় ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দালাল চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

যশোরের মনিরামপুর এলাকার দালাল শফির মাধ্যমে জীবননগরের বেনীপুর গ্রামের স্থানীয় দালাল ফারুক হোসেন ও ইসরাফিল হোসেনের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হয়। ভারতে ‘কার্টন তৈরির ভালো কাজ’ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মোট ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় চুক্তি করা হয়।

গত ৪ এপ্রিল রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়ে দালালরা ভিকটিমদের ভারতে পার করানোর বদলে কৌশলে তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় রাকিব মোল্লা নামে এক ভিকটিমকে মারধর করা হয়। পরে দালালরা পালিয়ে যায়।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত অভিযান চালিয়ে জীবননগর থানা পুলিশ ইসরাফিল (৩২) ও উজ্জ্বল হোসেন (৪০) নামের দুই দালালকে আটক করে। তারা উভয়েই জীবননগর উপজেলার বেনীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

উদ্ধার হওয়া ভিকটিমদের মধ্যে রয়েছেন: রাকিব মোল্লা, নাইস মিনা খানম, লিমন মোল্লা, সাথী খাতুনসহ মোট ৮ জন, যার মধ্যে ৪ জন শিশু রয়েছে। তাদের জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে যত বড় প্রভাবশালী মহল জড়িত থাকুক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে জেলা পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। দালাল চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

Link copied!