× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কক্সবাজার ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কক্সবাজার সৈকতে আতশবাজি-ফানুস উৎসব

কক্সবাজার ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম

তীব্র শীত উপেক্ষা করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বর্ষবরণে অংশ নেন লাখো পর্যটক।      ছবি : সংগৃহীত

তীব্র শীত উপেক্ষা করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বর্ষবরণে অংশ নেন লাখো পর্যটক। ছবি : সংগৃহীত

রাত ১২টা ১ মিনিটে ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে শুরু হলো নতুন বছর ২০২৬। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) তীব্র শীত উপেক্ষা করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বর্ষবরণে অংশ নেন লাখো পর্যটক। নতুন বছরকে বরণ করে নিতে প্রায় আধঘণ্টা ধরে আকাশজুড়ে আতশবাজির ঝলকানি দেখা যায়, সঙ্গে উড়তে থাকে অসংখ্য ফানুস।

তবে বর্ষবরণ ঘিরে এর এক দিন আগেই কক্সবাজার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আতশবাজি ও ফানুস ওড়ানো নিষিদ্ধসহ সাত দফা বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। বাস্তবে এর চিত্র দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত থাকলেও প্রকাশ্যে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানো চলতে থাকে।

বর্ষবরণের মুহূর্তে সৈকতে পর্যটকদের নেচে-গেয়ে উল্লাস করতে দেখা যায়। পরিবার, প্রিয়জন ও বন্ধুদের সঙ্গে আসা পর্যটকরা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে নতুন বছরকে স্বাগত জানান।

নরসিংদী থেকে আসা পর্যটক তাসনিম অধরা বলেন, নতুন বছর সবার জন্য শুভ হোক- এই কামনা করি। পুরোনো বছরের সব ভালো-খারাপ স্মৃতি পেছনে ফেলে কক্সবাজারে ২০২৬ সালকে বরণ করতে পেরে আমরা ভীষণ আনন্দিত।

নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কেন ফানুস উড়ানো হচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে এক পর্যটক বলেন, সবাই যখন আতশবাজি ফোটাচ্ছে, ফানুস ওড়াচ্ছে, তখন আমরা করলে সমস্যা কোথায়? চোখের সামনেই তো সব হচ্ছে।

এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে কক্সবাজারের তারকামানের হোটেলগুলোতে ইনডোর কনসার্টসহ বিভিন্ন আয়োজন স্থগিত করা হয়েছে।

স্থানীয় সংগীতশিল্পী আব্দুল্লাহ হিরো ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, সারা দেশে ওপেন কনসার্ট ও আতশবাজি বন্ধের ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে গান আর আতশবাজির শব্দ থামছে না। তাহলে শুধু মিউজিশিয়ানদের লাইভ শো ও ইভেন্ট বন্ধ করে লাভ কী হলো? আমার নিজের দুটি শোসহ বহু বড় আয়োজন বাতিল হয়েছে।

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, নেত্রীর শোকের প্রতি সম্মান জানিয়ে সবাই কনসার্ট বন্ধ করল, অথচ এখনো চারদিকে গানের শব্দ শোনা যাচ্ছে। তাহলে কি আইন শুধু আমাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য?

বিকেল থেকেই কক্সবাজার শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পর্যটক ও জনসাধারণের নিরাপত্তায় তল্লাশি এবং টহল জোরদার করা হয়। তবে রাতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কেন আতশবাজি ও ফানুস বন্ধ করা যায়নি- এ বিষয়ে পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!