× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম

কুমিল্লায় চিরনিদ্রায় শায়িত সন্ত্রাসী হামলায় নিহত র‍্যাব কর্মকর্তা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম

র‍্যাব কর্মকর্তার জানাজা সম্পন্ন। ছবি : সংগৃহীত

র‍্যাব কর্মকর্তার জানাজা সম্পন্ন। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত র‍্যাব কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন ভূইয়ার মরদেহ কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামের অলিপুর ভূইয়া পাড়া ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

জানাজায় সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সহকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে র‍্যাব-১১ এর পক্ষ থেকে নিহত কর্মকর্তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোজাহিদ হোসেন, কর্নেল নাজমুল হাসান, কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, র‍্যাব-১১ (নারায়ণগঞ্জ)-এর সিইও লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন, র‍্যাব-১১ কুমিল্লা ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলমসহ সেনাবাহিনী, র‍্যাব, বিজিবি ও পুলিশের সদস্যরা।

এর আগে চট্টগ্রামে প্রথম জানাজা শেষে নিহতের স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের সদস্যরা মরদেহ গ্রহণ করে রাত ৯টার দিকে কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন। মোতালেব হোসেন ভূইয়া কুমিল্লা সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামের মৃত আবদুল খালেক ভূইয়ার ছেলে। আট ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট।

তিনি এক ছেলে ও দুই কন্যাসন্তানের জনক। তার বড় ছেলে সাকিব অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী, মেয়ে শামীমা জান্নাত এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং ছোট মেয়ে মুনতাহা আক্তার পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। মোতালেব হোসেন ১৯৯৩ সালে বিজিবিতে যোগ দেন। দুই বছর আগে তিনি র‍্যাব-এ পোস্টিং নেন। রাজধানীর পিলখানা এলাকায় তার বাসা ছিল।

সোমবার সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে চট্টগ্রাম থেকে তার মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছালে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকেলে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মরদেহ একনজর দেখতে স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড়।

নিহতের বড় ভাই জাকির হোসেন ভূইয়া বলেন, ‘গত শুক্রবার আমার ভাই বাড়িতে এসেছিল। চট্টগ্রামে যাওয়ার সময় তার বড় মেয়ে বারবার বলছিল—আব্বু, আজ যেও না। সরকারি কাজের কথা বলে মেয়েকে সান্ত্বনা দিয়ে সে চলে যায়। মেয়েটি কান্না বুকে জমিয়েই বাবাকে বিদায় দেয়।’

আরেক বড় ভাই আমির হোসেন সর্দার বলেন, ‘মোতালেব পরিবারে ছোট হওয়ায় খুব আদরের ছিল। ছোটবেলা থেকেই সে সাহসী ও মেধাবী ছিল। জীবন দিয়ে সে তার দেশপ্রেমের প্রমাণ দিয়ে গেছে। তার মৃত্যুতে পরিবারটি নিঃস্ব হয়ে গেল। স্ত্রী ও সন্তানদের কান্না থামানো যাচ্ছে না।’

র‍্যাব-১১ সিপিসি-২-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান ইবনে আলম বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে সন্ত্রাসীদের হাতে মোতালেবের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। দেশের জন্য এমন আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমরা সবসময় এ পরিবারের পাশে থাকব।’

উল্লেখ্য, গত সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় র‍্যাব সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এতে মোতালেব হোসেন ভূইয়া নিহত হন এবং র‍্যাবের আরও তিন সদস্য আহত হন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!