× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম

নারী স্বাস্থ্যকর্মী শ্লীলতাহানির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম

অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া । ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া । ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত স্বাস্থ্য কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়ে এক নারী স্বাস্থ্যকর্মী শ্লীলতাহানি ও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি স্থানীয় যুবদল নেতা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী চৌদ্দগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী নারীর নাম সাবিনা ইয়াছমিন আলো (৪৩)। তিনি উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের মেষতলা গ্রামের মো. শাহ আলমের স্ত্রী এবং পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের একজন স্বেচ্ছাসেবী স্বাস্থ্যকর্মী। অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া (৪৮) একই ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে সাবিনা ইয়াছমিন আলো বোরকা পরিধান করে জরিপ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মেষতলা গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে নবদম্পতি, কিশোর-কিশোরী ও নবজাতকের তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় মোস্তফা মিয়ার বাড়িতে তথ্য সংগ্রহকালে অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া তাকে উদ্দেশ করে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন।

ভুক্তভোগী নারী এর প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত ফিরোজ মিয়া তাকে টেনে-হিঁচড়ে ঘর থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগীর পরনের বোরকা খুলে ফেলার চেষ্টা করেন। এতে বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর শিশুকেও মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভুক্তভোগী নারী ও তার শিশুকে উদ্ধার করেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয়দের সামনে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে কাপড় খুলে দেওয়ার চেষ্টা, ইজ্জতহানির হুমকি এবং হাত-পা ভেঙে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

ভুক্তভোগী সাবিনা ইয়াছমিন আলো বলেন, ‘কোনো পূর্বশত্রুতা বা কারণ ছাড়াই আমার সঙ্গে এ ধরনের নেক্কারজনক আচরণ করা হয়েছে। বর্তমানে আমি আমার শিশু সন্তানকে নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই আরেফিন সিদ্দিকী জানান, নারী স্বাস্থ্যকর্মী শ্লীলতাহানির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি (তদন্ত) গুলজার আলম বলেন, ‘ভুক্তভোগী নারী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Link copied!