চৌদ্দগ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে থানা থেকে মাত্র এক’শ থেকে তিন’শ গজের মধ্যে একাধিক স্থানে সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ ইসলামী ব্যাংকের বিপরীতে অবস্থিত মালেক মটরস ও মাহমুদ সাইদ স্টোর বন্ধ করে মালিকরা বাড়ি ফিরে যান। রাতের কোনো এক সময় সংঘবদ্ধ চোরচক্র দোকানের পেছনের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করে নগদ অর্থ ও মালামাল লুটে নেয়।
একই রাতে লাকসাম রোড এলাকার চৌদ্দগ্রাম আইডিয়াল স্কুল থেকে ৭টি সিলিং ফ্যান চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ছাড়া চৌদ্দগ্রাম বাজারের দক্ষিণ মাইক্রোস্ট্যান্ডে অবস্থিত মালেক মটরস থেকে নগদ ১৭ হাজার টাকাসহ প্রায় ৫০ হাজার টাকার গুরুত্বপূর্ণ মালামাল চুরি হয়েছে। মাহমুদ সাইদ স্টোর থেকেও বিস্কুট ও সিগারেটসহ ৩৫ হাজার ৮০০ টাকার মালামাল নিয়ে যায় চোরচক্র। একই রাতে আরও কয়েকটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
চৌদ্দগ্রাম আইডিয়াল স্কুলের পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন মিশু বলেন, ‘ইয়াবা ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের কারণে এলাকায় চুরি বেড়েছে। গত রাতে স্কুলের ৭টি পাখা চুরি হয়েছে। চোরচক্র দমনে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।’
মালেক মটরসের মালিক আবদুল কুদ্দুস বলেন, ‘দোকানের পেছনের টিন কেটে সংঘবদ্ধ চোরচক্র প্রায় ৫০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে গেছে। থানা কাছেই হওয়া সত্ত্বেও এমন ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক।’
এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ওসি আবু মোহাম্মদ কাওসার হোসেন বুধবার দুপুরে বলেন, ‘চুরির খবর পেয়েছি। ঘটনাগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত চোরচক্র শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হোক। তা না হলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।


