কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় প্রথমবারের মতো চাষ করা হয়েছে পেঁয়াজ বীজ। এতে সফল উৎপাদন নিয়ে নতুন স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা।
মুরাদনগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলার নোয়াগাও ব্লকের নেয়ামতপুর গ্রামে কৃষক ফাহিম মিয়ার ১বিঘা জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা হয়েছে বারি-১ জাতের পেঁয়াজ বীজ।
প্রথমবারের মতো এই পেঁয়াজ বীজ চাষে সফলতার দ্বারপ্রান্তে মুরাদনগর কৃষি বিভাগ।
সফলভাবে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন হওয়ার নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা। আগে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পেঁয়াজকন্দ সংগ্রহ করে চাষ করতে হতো চাষিদের। বীজ সংগ্রহে বিড়ম্বনায় পেঁয়াজ চাষে অনাগ্রহী ছিল অধিকাংশ কৃষক।
এখন মুরাদনগরে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন হওয়ার নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে এই এলাকার কৃষিখাতে। এই সূচনার মধ্য দিয়ে পেঁয়াজ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে মুরাদনগরের চাষিরা।
কৃষক ফাহিম মিয়া বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস ও কর্মকর্তাদের সহায়তায় আমি এই পেঁয়াজ বীজের চাষ করি। এই বীজ চাষাবাদ প্রক্রিয়া খুবই সহজ। কৃষি কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত তদারকি করেছেন।
মুরাদনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খান পাপ্পু বলেন, এই অঞ্চলে পেঁয়াজ চাষ সহজ করতে উপজেলার নেয়ামতপুর এলাকায় সীড ভিলেজ প্রদর্শনীতে আমরা প্রথমবারের মতো পেঁয়াজ বীজ পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদন করছি। ১বিঘা জমিতে বারি-১ জাতের পেঁয়াজ বীজ চাষ করা হয়েছে। আমরা প্রায় সফল হয়েছি। এই বীজ উৎপাদন মুরাদনগরের কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কুমিল্লা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন আমাদের এই অঞ্চলের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয় ছিল। একটি প্রদর্শনীর মাধ্যমে একজন যুবক কৃষকের জমিতে আমরা বীজ চাষ করি। আমরা ভাল একটি ফলন পাব বলে আশাবাদী। সকলের সহযোগিতা পেলে মুরাদনগরের কৃষিকে আমরা আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।


