× UCB Sticker Card
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০১:৩২ এএম

নবম শ্রেণির ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষকের নিখোঁজের অভিযোগ, থানায় মামলা

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬, ০১:৩২ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এক মাদ্রাসার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষক নিখোঁজ হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

এ ঘটনায় ছাত্রীর মা শনিবার (২০ জুন) চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় ওই শিক্ষকসহ চারজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের খেঁয়াইশ গ্রামের ১৫ বছর বয়সী (ছদ্মনাম) আকাশী গোপালনগর মহিলা আলিম মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী। একই মাদ্রাসার নূরানি বিভাগের শিক্ষক, নাঙ্গলকোট উপজেলার গোত্রশাল গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্ত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি ছাত্রী তার মাকে জানালে তিনি মাদ্রাসার দুই শিক্ষক ফজলুল হক ও খায়েরুল ইসলামের কাছে প্রতিকার চান।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে আকাশী মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা জানতে পারেন, মাদ্রাসার সামনে থেকে শিক্ষক আলমগীর হোসেন সিএনজি অটোরিকশাযোগে জোরপূর্বক ওই ছাত্রীকে নিয়ে গেছেন। এরপর থেকে শিক্ষক ও ছাত্রীর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, এর আগেও একবার ওই শিক্ষক ছাত্রীকে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেন। ঘটনার পর ছাত্রীর পরিচিত এক নারীর কাছে শিক্ষক আলমগীর হোসেনের পাঠানো ২৩ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তিনি ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ চেয়ে অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আলমগীর হোসেনের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

গোপালনগর মহিলা আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহ আলম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। তবে এর আগে এমন কোনো ঘটনা ঘটেছিল কি না, তা আমার জানা নেই।

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!