× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৮:৩৬ এএম

মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় সাবেক সেনা সদস্যের ওপর হামলা

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৮:৩৬ এএম

সাবেক সেনা সদস্য মো. শহিদুল হাসান সোহেলের ওপর হামলা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সাবেক সেনা সদস্য মো. শহিদুল হাসান সোহেলের ওপর হামলা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ফরিদপুরের সালথায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মো. শহিদুল হাসান সোহেল (৪৮) নামে সাবেক এক সেনা সদস্যের ওপর হামলা চালিয়েছে মাদককারবারিরা। হামলার পর আহত সাবেক সেনা সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সালথা বাজারে জননী সুপার মার্কেটের দোতলায় নিজের ক্লিনিকে এই হামলার শিকার হন তিনি।

আহত সোহেল উপজেলা সদরের সালথা পাড়ার দাউদ শিকদারের ছেলে। তিনি সালথা ডিজিটাল ডায়গনিস্টিক সেন্টারের পরিচালক ও সাবেক সেনা সদস্য। 

হামলাকারিরা হলেন- উপজেলা সদরের ভাওয়াল গ্রামের নুরু বিশ্বাস (৩৫), শামীম বিশ্বাস (২৪) ও সোহেল (২৩)।

ব্যবসায়ীরা জানান, সালথা জননী সুপার মার্কেটের নিচ তলায় বসে নিয়মিত ইয়াবা বিক্রি ও গাঁজা সেবন করেন নুরু বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা। বুধবার সন্ধ্যায় মার্কেটের ভেতর মাদক সেবনকালে বাধা দেন ওই মার্কেটের ক্লিনিক ব্যবসায়ী সাবেক সেনা সদস্য শহিদুল হাসান সোহেল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নুরু বিশ্বাস, সহযোগী সোহেল ও শামীম লাঠিসোটা নিয়ে ক্লিনিকের ভেতর ঢুকে শহিদুল সোহেলের ওপর হামলা চালায়। 

এ ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, তিন যুবক শহিদুল সোহেলকে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছে। তখন শহিদুল ঠেকানোর চেষ্টা করছেন।

আহত শহিদুল হোসেল বলেন, আমাদের মার্কেটের নিচ তলায় একটি কসমিটিকের দোকানে সামনে বসে মাদক বিক্রি ও সেবন করে নুরু বিশ্বাস। বুধবার সন্ধ্যায় মাদকের কার্যক্রম নিয়ে নুরুর সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। পরে মুরব্বীরা বিষয়টি মিমাংসা করে দেন। কিন্তু রাত সাড়ে ৮টার দিকে নুরু ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা-পাইপ নিয়ে আমার ক্লিনিকের ভেতর ঢুকে আমার ওপর অতর্কিত হামলা করেন। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল। কিন্তু মাদককারবারিরা হামলা করে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় তাদের ধরতে পারেনি। হামলাকারিদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!