× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

‘এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ঢাকা-গোপালগঞ্জ ট্রেন চালু হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

এই মাসের (এপ্রিল) শেষ সপ্তাহ থেকে ঢাকা-গোপালগঞ্জ ও গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। আর পহেলা বৈশাখ থেকে ঢাকা থেকে বেনাপোলগামী ট্রেন মুকসুদপুর স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর।

তিনি আশাপ্রকাশ করে বলেন, এতে এ জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে। অল্প খরচে এ জেলার মানুষ ট্রেনে চড়ে রাজশাহীর পাশাপাশি ঢাকা ও বেনাপোলে যাতায়াত করতে পারবেন। এতে অর্থ ও সময় সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে এ জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা অধীনস্থ ইউপি চেয়ারম্যানদের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য ডা. বাবর বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, সারা দেশের মানুষ ভাবে বিগত সরকার গোপালগঞ্জকে সোনা দিয়ে মুড়িয়ে রেখেছে। কিন্তু আমরা জানি, বিগত সরকার গোপালগঞ্জের তেমন কোনো উন্নয়ন করেনি, যাতে এ জেলায় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। বিগত শেখ হাসিনার সরকার গোপালগঞ্জ থেকে রাজশাহী ট্রেন চালু করেছে। 

তিনি প্রশ্ন করে বলেন, তারা কি পারত না গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকা ট্রেন চালু করতে? তারা কি পারত না গোপালগঞ্জে একটি ইপিজেড স্থাপন করতে? তাহলে তো আমার জেলার মানুষের কর্মসংস্থান হতো। তারা মুখে বললেই তো সব হতো না।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ সরকার দেশ শাসন করেছে। এ জেলার মানুষ প্রধানমন্ত্রী পেয়েছিল। তারপরও গোপালগঞ্জ পৌরসভায় বিশুদ্ধ পানির জন্য আহাজারি। পৌরসভার পানি মুখে নেওয়া যায় না। নতুন সংযোগ দেওয়া যাচ্ছে না। যে পানি সরবরাহ করা হয়, তাও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তখন শুনেছি, গোপালগঞ্জ পৌরসভা নাকি টাকার বন্যায় ভেসে গেছে। তাহলে ওই টাকা গেল কোথায়? জনগণের জন্য কি একটি পানির প্ল্যান্ট নির্মাণ করা গেল না, যাতে মানুষ বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারে?

ডা. বাবর বলেন, আমরা তিন এমপি মিলে গোপালগঞ্জের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছি। আমাদের ব্যক্তিগত কিছু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য দিন-রাত কাজ করছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা হাতের কালি শুকানোর আগেই বাস্তবায়ন করেছেন। আগামীতে সারা দেশের সঙ্গে গোপালগঞ্জেরও উন্নয়ন হবে।

ইউপি চেয়ারম্যানদের উদ্দেশ্যে ডা. বাবর বলেন, আপনারা সমাজের নিরীহ, দরিদ্র ও মেহনতি মানুষের পক্ষে কাজ করবেন। নির্বাচনে ভোটের আশায় তাদের ঠকিয়ে প্রভাবশালীদের পক্ষ নেবেন না। এলাকায় মাদক, চুরি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে থাকবেন। তাহলে আল্লাহ চাইলে আপনারা পুনরায় নির্বাচিত হবেন। আর মেহনতি মানুষের পক্ষে থাকলে আল্লাহ আপনাদের সঙ্গে থাকবেন।

উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে এমপি বাবর বলেন, আপনারা এমন প্রকল্প নেবেন না, যা জনগণের কোনো কাজে আসে না। আপনারা এমন প্রকল্প নেবেন, যাতে জনগণ উপকৃত হন। আপনারা নির্ভয়ে কাজ করবেন, যাতে আমার এলাকার মানুষ সুবিধা পায়। আমার সঙ্গে যারা সব সময় থাকেন (নেতা-কর্মী), তাদের কোনো অনৈতিক কাজেও সহযোগিতা করবেন না। আমার সঙ্গে থাকা কেউ যদি আপনার কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিতে চায়, আমাকে জানাবেন—আমি ব্যবস্থা নেব।

এমপি বাবর আরও বলেন, গোপালগঞ্জের প্রতিটি মানুষের এমপি আমি। তাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমি একটি বাসযোগ্য গোপালগঞ্জ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে কোনো গডফাদার বা বাহিনী থাকবে না। কোনো রাজনৈতিক গডফাদারও থাকবে না। আমার কাছে সবাই সমান। এভাবেই আমরা মিলেমিশে গোপালগঞ্জের উন্নয়ন করতে চাই।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা বাবলী শবনাম, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আনিচুর রহমান, গোবরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী সালাউদ্দিন আহমেদ, হরিদাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াস হোসেন, উরফি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির গাজী, করপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, কাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম, দুর্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজিম আহমেদ, রঘুনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম, কাজুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আইউব আলী ফকির, শুকতাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রানা মোল্লা এবং সাহাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিনয় সরকার আনাদি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সংবর্ধনা সভায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, জেলা ও উপজেলা বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল, ছাত্রনেতৃবৃন্দ এবং সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Link copied!