× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৬, ০২:০৬ পিএম

প্রশাসনিক সভার প্রধান অতিথি এমপির স্ত্রী, ইউএনও-এসিল্যান্ড বদলি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৬, ০২:০৬ পিএম

এমপির স্ত্রী প্রশাসনিক সভার প্রধান অতিথি হওয়ায় ইউএনও-এসিল্যান্ড বদলি। ছবি : সংগৃহীত

এমপির স্ত্রী প্রশাসনিক সভার প্রধান অতিথি হওয়ায় ইউএনও-এসিল্যান্ড বদলি। ছবি : সংগৃহীত

হবিগঞ্জের বাহুবলে প্রশাসনিক সভায় সংসদ সদস্য রেজা কিবরিয়ার স্ত্রী সিমি কিবরিয়াকে প্রধান অতিথি করায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটন দে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল আলমকে বদলি করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। যদিও জেলা প্রশাসক বলছেন, সভার জন্য তাদের বদলি করা হয়নি। এটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।

উল্লেখ্য, সোমবার (২ মার্চ) বিষয়টি জনসমক্ষে আসে। রোববার এক প্রজ্ঞাপনে বাহুবলের ইউএনও লিটন দেকে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। একই দিনে বাহুবলের এসিল্যান্ড মাহবুবুল আলমকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সংস্থাপন শাখার সিনিয়র সহকারী কমিশনার উম্মে সালিক রুমাইয়া এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ তানভীর হাসান স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। তবে প্রজ্ঞাপনে বদলির সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

এর আগে ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বাহুবল উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে প্রশাসনের এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা কিবরিয়ার স্ত্রী সিমি কিবরিয়া। সামাজিক মাধ্যমে ওই সভার একটি ছবি ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ছবিতে দেখা যায়, সিমি কিবরিয়ার একপাশে বসে আছেন ইউএনও লিটন দে এবং অন্যপাশে এসিল্যান্ড মাহবুবুল আলম ও বাহুবল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম।

সরকারি সভায় জনপ্রতিনিধির পরিবারের সদস্যের উপস্থিতি এবং প্রধান অতিথির আসনে বসা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়। প্রশ্ন ওঠে এর আইনি বৈধতা নিয়েও।

ইউএনও লিটন দে বলেন, বদলির আদেশের সঙ্গে ওই দিনের সভার কোনো সম্পর্ক নেই। এটি নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। এর আগেও তিনি বদলির আদেশ পেয়েছিলেন, যা পরে পরিবর্তন হয়েছিল।

হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন বলেন, এটি রুটিন ওয়ার্ক। সভার জন্য বদলি করা হয়েছে, এটি ঠিক নয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!