যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুদিনে ৯টি চালানে ৩৭টি ট্রাকে এক হাজার ৩৫০ টন চাল আমদানি করা হয়েছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ভারতীয় আমদানি করা চালের দুটি চালানে ১৫ ট্রাক বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে।
এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি ৭৭০ টন চাল আমদানি হয়েছিল। এ নিয়ে দুদিনে মোট এক হাজার ৩৫০ টন চাল আমদানি হলো।
এই চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। দেশের বাজারে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে ছাড়ের সুবিধা দিয়েছে।
বেনাপোল বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর—এই তিন মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ১২৮ টন।
চলতি মাসের ১৮ জানুয়ারি সরকার ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। আমদানি করা প্রতি কেজি চালের সব খরচসহ দাম পড়েছে ৫০ টাকা।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে দুদিনে ৩৭টি ট্রাকে এক হাজার ৩৫০ টন (নন-বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এবার যশোর জেলায় মোট ৪৪টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার ১০০ টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হলেও এ পর্যন্ত বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাত্র একজন আমদানিকারক চাল আমদানি করেছেন।


