× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১০, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম

যশোরে নকল চিনিগুঁড়া চাল বিক্রির অভিযোগ

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১০, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া বাজারে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে দেশের নামি-দামি ব্র্যান্ডের নকল চিনিগুঁড়া চাল। কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী বাজার থেকে নিম্নমানের খোলা চালের বস্তা কিনে সেগুলো নামি-দামি ব্র্যান্ডের নামে মোড়কজাত করছে। এরপর সেগুলো নিজেরাই বিভিন্ন দোকানে পাইকারি বিক্রি করছে। দেখে বোঝার উপায় নেই এগুলো নকল নাকি আসল।

জানা গেছে, উপজেলার বাগআঁচড়া বাজারের চিনি পট্টিতে মেসার্স আরিফ স্টোরে সরেজমিনে মোড়কজাত করে চাল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। শরিফ নামে এক ক্রেতা বাজারের আরিফ স্টোর থেকে এক কেজি মোড়কজাত পোলাওয়ের চাল ক্রয় করেন। দোকানদার আরিফ হোসেন তাকে ‘চাষী ভাই’ সুগন্ধি চিনিগুঁড়া নামে একটি চালের প্যাকেট ধরিয়ে দেন। এর দাম রাখা হয় ১৭০ টাকা। ‘চাষী ভাই’ চালের প্যাকেটটি দেখতে হুবহু স্কয়ার কোম্পানির ‘চাষী’ ব্র্যান্ডের মতো। প্যাকেটটি এতটাই মিল যে দেখে বোঝার উপায় নেই ‘চাষী’ ব্র্যান্ডকে নকল করা হয়েছে।

পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাগআঁচড়া বাজারের চিনি পট্টির প্রায় সব মুদি দোকানেই ‘চাষী ভাই’ নামের এই চাল বিক্রি করা হয়। এসব দোকানে প্যাকেটজাত চালের মধ্যে শুধু ‘চাষী ভাই’ নামের এই চালই পাওয়া যাচ্ছে।

সরেজমিনে চিনি পট্টিতে গিয়ে দেখা যায়, মেসার্স আরিফ স্টোরের মালিক আরিফ বস্তা থেকে চাল নিয়ে হুবহু স্কয়ার কোম্পানির চাষী ভাই চিনিগুঁড়া চালের প্যাকেটে ভরে মোড়কজাত করছেন। ছবি তুললে আরিফ স্বীকার করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এমন প্রতারণা করে আসছেন। এ সময় তিনি ক্ষমা চেয়ে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন।

এদিকে একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, বাগআঁচড়া বাজারের ওই চিনি পট্টিটি এখন ‘ইন্ডিয়া পট্টি’ নামে পরিচিত। সেখানে বিক্রি হওয়া ভোগ্যপণ্যের প্রায় একশ ভাগের মধ্যে নব্বই ভাগই চোরাই পথে ভারত থেকে এনে বিক্রি করা হয়। আর এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সেল্টার দাতা হিসেবে স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের এক নেতাসহ তার কয়েকজন সহযোগীর নাম শোনা যায়। সাপ্তাহিক টাকার বিনিময়ে প্রতারক দোকানদারদের শেল্টার দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ জানান, অনুমতি ছাড়া কেউ যদি খোলা চাল মোড়কজাত করে বিক্রি করে, তা অপরাধ। এ ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যশোরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান জানান, খোলা চাল নামীদামি ব্র্যান্ডের নামে প্যাকেটজাত করা আইনগতভাবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!