× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৪, ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম

চাঁদা না পেয়ে হামলা ও মারধর, আতঙ্কে গ্রাম ছাড়ছেন ভুক্তভোগীরা

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৪, ২০২৬, ১২:৩৬ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

যশোরের শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের কন্দর্পপুর মানিকআলী গ্রামে চাঁদা না পেয়ে দফায় দফায় হামলা, মারধর ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে একদল দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে।

শনিবার ও রোববার রাতের এ তাণ্ডব এবং ক্রমাগত হুমকিতে গ্রামজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় অনেক ভুক্তভোগী পরিবার এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কন্দর্পপুর গ্রামের মৃত নূর বক্স মণ্ডলের ছেলে ইহান আলী (৪৮) তার সহযোগীদের নিয়ে শনিবার রাতে দেশীয় অস্ত্র, রামদা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে মৃত ইসমাইল আলীর ছেলে মিজানুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালায়। সেখানে তারা মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। মিজানুর রহমান চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে, তার স্ত্রী এবং তার প্রবাসী ছেলের স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করা হয়।

একই রাতে ওই দলটি কৃষক আব্দুস ছাত্তারের বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরদিন রোববার রাতে রসুল মিয়া নামে আরেক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদা না পেয়ে তাকেও মারধর করা হয়। এ সময় বাধা দিতে গেলে হারুন নামে এক ব্যক্তির স্ত্রীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

গ্রামবাসীর দাবি, ইহান আলী ও তার বাহিনীর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, সন্ধ্যার পর গ্রামের নারীরা নিরাপত্তার অভাবে ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। এমনকি প্রাকৃতিক প্রয়োজনেও বাইরে যেতে ভয় পাচ্ছেন তারা।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে চিহ্নিত এসব চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা কীভাবে এখনো এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিজামপুর ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতা জানান, ইহান আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের কাছেও এসেছে। এসব কর্মকাণ্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে একাধিকবার ইহান আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

যশোর নাভারণ ‘ক’ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন জানান, ইতোমধ্যে কন্দর্পপুর এলাকার কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। নতুন করে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী যে দলেরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!