× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম

বেনাপোল বন্দরে ‘নিখোঁজ’ ১৯ প্যাকেজ ভারতীয় পণ্য উদ্ধার

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩৭ নম্বর শেড থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়া ১৯ প্যাকেজ উচ্চমূল্যের ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করেছে কাস্টম কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে বন্দর ও কাস্টম কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শেডের ভেতরে থাকা পুরোনো নিলামের মালামালের আড়াল থেকে এই পণ্যগুলো উদ্ধার করা হয়।

বন্দর ও কাস্টম সূত্র জানায়, গত ১২ মার্চ মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভারত থেকে একটি পণ্যচালান আমদানি করা হয়েছিল। আমদানি নথিতে পণ্য হিসেবে ‘বেকিং পাউডার’ ঘোষণা করা হলেও কাস্টমের কায়িক পরীক্ষায় ১০৮টি প্যাকেজে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, বেবিওয়্যার, ফেসওয়াশ, ক্রিম ও লোশনসহ বিভিন্ন দামি প্রসাধনী জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দ করা চালানটি বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডের জিম্মায় রাখা হয়েছিল।

কিন্তু গত ২ জুন কাস্টমস কর্মকর্তারা পুনরায় ইনভেন্টরি (পণ্যের তালিকা যাচাই) করতে গিয়ে দেখতে পান, জিম্মায় থাকা ১০৮ প্যাকেজের মধ্যে অত্যন্ত মূল্যবান ১৯টি প্যাকেজ গায়েব হয়ে যায়। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় পরবর্তীতে একটি প্রতারণার মামলা করা হয় এবং তদন্ত শুরু হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, ঈদুল আজহার ছুটির আগে প্যাকেজগুলো শেডের ভেতর থেকে গোপনে পাচার বা সরিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পুরোনো নিলামের মালামালের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তবে কঠোর নজরদারির কারণে সুযোগ না পাওয়ায় সেগুলো আর বাইরে নেওয়া সম্ভব হয়নি। সোমবার অন্য একটি পণ্যচালানের ইনভেন্টরি করার সময় কাস্টমস কর্মকর্তারা ভাগ্যক্রমে এই লুকিয়ে রাখা প্যাকেজগুলোর সন্ধান পান।
কাস্টমের তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা এই বিশাল চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান যশোরের ‘সাফা ইমপেক্স’ এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিল বেনাপোলের ‘মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজ’। মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় পণ্য অবৈধভাবে আমদানি করে প্রায় ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয়েছিল।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার হওয়া ১৯ প্যাকেজ পণ্য আগের জব্দ করা চালানেরই অংশ। এগুলো শেডের ভেতরে নিলাম পণ্যের স্তূপের নিচে চাপা পড়া অবস্থায় ছিল। এই ঘটনার পেছনে বন্দরের কারো কোনো অনিয়ম বা সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার তৌফিকুর রহমান জানান, উদ্ধার হওয়া পণ্যগুলো পুনরায় গণনা ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। প্রক্রিয়া শেষ হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!