× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ১১:১৫ এএম

শার্শায় বন বিভাগের গাছ কেনার অজুহাতে সওজের গাছ কর্তন

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ১১:১৫ এএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের শার্শার বাগআঁচড়া পাঁচপুকুর এলাকায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সরকারি জায়গা থেকে আনুমানিক ৫ লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ৪০-৪৫ বছরের পুরোনো ৫টি মেহগনি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার  অভিযোগ উঠেছে মেহরাব ট্রেডার্স নামক এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে গাছ কাটার চিত্র দেখা যায়। এর আগে ঘটনাটি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা বাধা সৃষ্টি করে। তবে প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা এবং কর্মকর্তাদের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের মূল সড়কের পাশে সওজের মালিকানাধীন জমিতে দীর্ঘ ৪০-৪৫ বছর ধরে দাঁড়িয়ে ছিল রেইনট্রি মেহগনি গাছগুলো। মঙ্গলবার দুপুরে মেহরাব ট্রেডার্সের কর্মীরা আকস্মিকভাবে গাছগুলো কাটতে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাটি বুঝতে পেরে তাদের গাছ কাটতে বাধা দেয়।

বাধার মুখে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা দাবি করেন, তারা সরকারি অনুমতি নিয়েই এ সড়কে গাছ কর্তন করছেন এবং তাদের মোট ৪২টি গাছ কাটার অনুমোদন রয়েছে। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উল্লেখিত স্থানটিতে মোট ৪২টি গাছের কোনো অস্তিত্বই নেই। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে সড়কের ধারের গাছ কেটে ফেললে ভবিষ্যতে সড়ক ভাঙনের তীব্র ঝুঁকি তৈরি হবে।


স্থানীয় বাসিন্দা সবুজ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ ৪০-৪৫ বছর ধরে দেখে আসছি এই মেহগনি গাছগুলো জেলা পরিষদের লাগানো। কিন্তু আজ হঠাৎ করে এগুলো বন বিভাগের গাছ হয়ে গেল কীভাবে, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেহরাব ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকার মিজানুর রহমান জানান, ২০২৪ সালে টেন্ডার হলেও রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে কাজ বন্ধ ছিল। নতুন করে গাছ কাটা শুরু হয়েছে। লিস্টের বাইরের কোনো গাছ কাটা হচ্ছে না।

ঘটনার সত্যতা জানতে চাওয়া হলে শার্শা উপজেলা সামাজিক বনায়ন কেন্দ্রের ইনচার্জ ইউনুচ আলী গাছ কাটার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানান, আমরা ওই গাছ কর্তন করিনি। আপনাদের কাছে যে তথ্য গেছে তা সঠিক নয়।

তবে যশোর জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আশরাফুজ্জামান মঞ্জু সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ২০২৪ সালে টেন্ডার হলে আমরা গাছ কাটা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। নতুন করে গাছ কেটে নিয়েছে জানার পর আমরা ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে সত্যতা পেয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রস্তুতি নিতে যাচ্ছিলাম। তবে বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ ভুল স্বীকার করায় আমাদের স্যার বিষয়টি বাদ দিতে বলেছেন।

মহাসড়কের সরকারি সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অবৈধভাবে গাছ কাটার পেছনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!