× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ১২:০২ পিএম

যশোরে ১৪ মামলার আসামি জিতুকে কুপিয়ে হত্যা

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ১২:০২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

যশোর শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী হত্যাসহ ১৪ মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম জিতুকে (৩৫) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২২ জুলাই) রাত ১১টার দিকে শহরের বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড়ে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত জিতু বারান্দী মোল্লাপাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তার মরদেহ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জিতু বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়৷ ৯৯৯-এ খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় রেফার্ড করেন। রাতেই অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেওয়ার পথে নড়াইলে পৌঁছালে তিনি মারা যান। পরে জিতুর মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালে ফেরত আনা হয়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. বিচিত্র মল্লিক জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে জিতুর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, নিহত জিতুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জিতু যশোর শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একজন। ২০২২ সালে তাঁতী লীগ নেতা আব্দুর রহমান কাকনকে হত্যা করে জিতু। ঢাকা রোড, বকচর, নীলগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে আসছিল। চাঁদাবাজি, ছিনতাই, অস্ত্র ও মাদকের কারবারের সাথে জড়িত ছিল জিতু। তার অত্যাচারে অনেকেই অতিষ্ঠ ছিল। গত ৭ মে রাতে ডিবি পুলিশ বারান্দীপাড়া থেকে জিতুকে গ্রেপ্তার করে। ৮ মে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে এলাকায় ফিরে আসে জিতু। পূর্ব বিরোধের জের ধরে এলাকার প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা তাকে খুন করতে পারে।  

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানান, জিতু হত্যার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হাতে তিনি খুন হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান শুরু করেছে। নিহত জিতুর বিরুদ্ধে থানায় ১৪টি মামলা আছে। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!