× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫, ০৯:১৪ এএম

কারাগারে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির আত্মহত্যা

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫, ০৯:১৪ এএম

যশোর জেনারেল হাসপাতাল। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

যশোর জেনারেল হাসপাতাল। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে শ্যালক সুজায়েতুজ্জামান প্রিন্স হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ভগ্নিপতি মিজানুর রহমান (৫৪) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে কারাগারের কার্পেট তৈরির পুরোনো গোডাউনের সিলিংয়ের লোহার বিমের সঙ্গে রশি দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

মিজানুর রহমান যশোরের শার্শা উপজেলার আমতলা গাতিপাড়া গ্রামের আক্কাস আলীর ছেলে। তাঁর মরদেহ বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার আবিদ আহমেদ জানান, প্রিন্স হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান কপোতাক্ষ–৩ নম্বর কক্ষের বন্দি ছিলেন। তাঁর কয়েদি নম্বর ৮৭০৯। শুক্রবার বিকেলে তিনি কারাগারের কার্পেট তৈরির পুরোনো গোডাউনের দরজার একটি অংশ ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর সিলিংয়ের লোহার বিমের সঙ্গে রশি বেঁধে গলায় ফাঁস দেন।

বিষয়টি টের পেয়ে কারারক্ষীরা তাঁকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, তা জানা যায়নি। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাকিরুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে মিজানুর রহমানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁকে নিয়ে আসা কারারক্ষীদের তথ্যমতে, তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফারুক আহমেদ জানান, কারাগারে কয়েদির আত্মহত্যার বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২০ আগস্ট মিজানুর রহমানের শ্যালক শার্শা উপজেলার আমতলা গাতিপাড়া গ্রামের আক্কাস আলী মোড়লের ছেলে সুজায়েতুজ্জামান প্রিন্স নিখোঁজ হন। পরদিন ২১ আগস্ট ছোট নিজামপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় প্রিন্সের মামা বকতিয়ার রহমান অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এজাহারে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন, প্রিন্সের মোটরসাইকেলের প্রতি ভগ্নিপতি মিজানুর রহমানের আগ্রহ ছিল।

তদন্তে মিজানুর রহমানসহ চারজনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ মামলায় চলতি বছরের ২৪ জুলাই যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জয়ন্তী রানী দাস মিজানুর রহমানসহ চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। রায়ের পর থেকে মিজানুর রহমান কারাগারে ছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!