× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ১১:৩৪ পিএম

বেনাপোলে হুন্ডির ১৭ লাখ টাকাসহ ভারতীয় দুই নারী আটক

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ১১:৩৪ পিএম

আটক ভারতীয় নারীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

আটক ভারতীয় নারীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে ১৭ লাখ হুন্ডির টাকাসহ ভারতীয় দুই নারী পাসপোর্টযাত্রীকে আটক করেছেন কাস্টমস কর্মকর্তারা।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভারত থেকে আসার পর বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে স্ক্যানিংয়ে সময় তাদের ব্যাগ তল্লাশি করে বাংলাদেশি ১৭ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ সময় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করেন। বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃতরা হলেন, ভারতীয় পাসপোর্টযাত্রী ভারতের পশ্চিবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ থানার হরিদাসপুর রায়পুর গ্রামের আনন্দ বৈদ্যর স্ত্রী রিনা বৈদ্য (৩৭) পাসপোর্ট নম্বর জেডএ-**৩২৫০ ও একই জেলার বাগদা থানার কুলিয়া এলাকার মৃত সানোয়ার শাহাজীর স্ত্রী মুক্তি শাহাজি (৫৪) পাসপোর্ট নম্বর জেড-***৮৪৩৭।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানান, ব্যবসায়ীক ভিসায় নিয়ে তাদের প্রতি লাখ টাকায় ৩০০ টাকা করে পারিশ্রমিক দেওয়ার কথা ছিল। তারা আরও জানান, বেনাপোল ইমিগ্রেশন পার হওয়ার একটি ছেলের কাছে টাকার ব্যাগ হস্তান্তরের কথা ছিল। ছেলেটির পরিচয় তারা জানেন না।

এ ঘটনায় আটক ভারতীয় নারীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার অতুল গোস্বামী জানান, ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কাস্টমসের স্ক্যানিং তল্লাশি কেন্দ্রে তাদের ব্যাগ তল্লাশির জন্য দিলে সেখানে ১৭ লাখ টাকা পাওয়া যায়। টাকার উৎস ও বাংলাদেশে আনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। এ কারণে ডিটেনশন মেমো (ডিএম) মূলে টাকাগুলো জব্দ করা হয়। তবে পরবর্তীতে ফেরত যাওয়ার সময় বৈধ উৎস ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারলে আইন অনুযায়ী টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানান তিনি। 

     

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!