ঝালকাঠির গাবখান এলাকায় এক নারীর পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি জোরপূর্বক বালু ভরাট করে দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাঈদা সুলতানা সাথী ঝালকাঠি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান এলাকায় তাদের প্রায় ৯০ শতাংশ জমি বর্গা দেওয়া রয়েছে। চলতি বছর ওই জমিতে গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে উন্নত জাতের ঘাসের চাষ শুরু করেন বর্গাদার মেহেদি হাসান নাসির।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত রফিকুল্লাহ ওরফে রফিক মৃধা এবং মোস্তফা মৃধা গত ১০ মে বর্গাদার মেহেদি হাসান নাসির ঢাকায় অবস্থানকালে প্রায় ৬০ শতক জমিতে বালু ফেলে ভরাট করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে জমি দখলের উদ্দেশ্যে বর্গাদারকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন ও হুমকি দিয়ে আসছেন। ভুক্তভোগীরা ঢাকায় বসবাস করায় সেই সুযোগে অভিযুক্তরা গ্রামের বাড়ির বিভিন্ন অস্থাবর সম্পদ নষ্ট ও চুরির ঘটনাও ঘটিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। বর্তমানে গ্রামে গেলে তাদের লাঞ্ছিত করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সাঈদা সুলতানা সাথী বলেন, এ জমি আমাদের পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি। দীর্ঘদিন ধরে আমরা বৈধভাবে ভোগদখল করে আসছি। বর্তমানে জমিতে গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে উন্নত জাতের ঘাসের চাষ করা হয়েছিল। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে জমিতে বালু ভরাট করে দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে আমাদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এলাকায় আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং গ্রামে গেলে লাঞ্ছিত করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা দাবি করছি।
অভিযুক্ত মোস্তফা মৃধা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই জমিতে আমার কোনো অংশ নেই। আমাকে কেন এ ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই।
ঝালকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন