ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) আসন। নির্বাচনের চূড়ান্ত ক্ষণ গণনা শুরু হতেই প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই উপজেলার ১৬৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৫টি কেন্দ্রকে ‘অধিক ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চলছে নানা জল্পনা।
ভোটের মাঠে নিয়ন্ত্রণ রক্ষার জন্য প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে। কোটচাঁদপুর থানার ওসি আসাদউজ্জামান জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ প্রতিটি বুথে কঠোর নজরদারি থাকবে। শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি।
র্যাব ও পুলিশ (মোবাইল টিম), আনসার সদস্য (প্রতিটি কেন্দ্রে স্থায়ী) এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য) দায়িত্ব পালন করবেন।
মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা আক্তার ও কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এনামুল হাসান জানিয়েছেন, বুধবার সকাল থেকেই প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট বক্স ও নির্বাচনি সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়েছে। তারা নিশ্চিত করেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ভোটাররা নিরাপদে কেন্দ্রে আসতে পারবেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেনাবাহিনী ও র্যাবের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না।
শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে এই মেগা নির্বাচন, নাকি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো বদলে দেবে ভোটের মোড়, এটি এখন জনমনের প্রশ্ন।



