× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২০, ২০২৬, ০৭:২২ পিএম

গাড়াগঞ্জ-শৈলকুপা সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ, ঝুঁকিতে শতাধিক পরিবার

শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২০, ২০২৬, ০৭:২২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় গাড়াগঞ্জ-শৈলকুপা সড়কের উন্নয়নকাজে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে পাশের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

জানা যায়, দীর্ঘদিন অবহেলিত এই সড়কটি সংস্কারের দাবি ছিল এলাকাবাসীর। তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল এবং বর্তমান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর উদ্যোগে সেই দাবি বাস্তবায়নের পথে এগোলেও কাজের শেষ পর্যায়ে এসে অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গাড়াগঞ্জ বাজার থেকে শৈলকুপা শহর পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়নকাজ চলছে। এর মধ্যে প্রায় ৫ কিলোমিটার অংশে নিয়ম না মেনে সড়কের পাশের জমি থেকে গভীর গর্ত করে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও এসব গর্ত এতটাই গভীর যে, তা এখন স্থানীয়দের জন্য ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাদের অনুমতি ছাড়াই জোরপূর্বক জমিতে প্রবেশ করে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে। বাধা দিলে প্রভাব খাটিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ চালিয়ে যায়। এতে বসতভিটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, চলাচলের পথ নষ্ট হয়েছে এবং চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে ভূমিধসের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সড়কটির মূল ঠিকাদার ঝিনাইদহের মিজানুর রহমান মাসুম। প্রায় ৬ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ কোটি ২১ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। এর মধ্যে সড়কের দুধারে মাটি ভরাট বাবদ বরাদ্দ রয়েছে ২৫ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্ধারিত বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও নিয়ম না মেনে জমি কেটে মাটি নেওয়া দুর্নীতিরই অংশ। তারা দ্রুত এসব গর্ত ভরাট, ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!