ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

উদ্বোধনের আড়াই বছরেও চালু হয়নি ভৈরবা ২০ শয্যা হাসপাতাল

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
ভৈরবা ২০ শয্য হাসপাতাল। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

উদ্বোধনের আড়াই বছরেও আলোর মুখ দেখেনি ভৈরবা ২০ শয্য হাসপাতাল। স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত সীমান্তবর্তী ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রামের মানুষ। তবে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন বলছে সচিবের সঙ্গে কথা হয়েছে, তিনি আগামী ১০ দিনের মধ্যে কার্যক্রম শুরু হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। দ্রুত হাসপাতালটি চালু করার দাবি এলাকাবাসীর।

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা সাকোর খাল এলাকায় প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতালটি উদ্বোধন করেছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। কিন্তু উদ্বোধনের আড়াই বছর পার হলেও হাসপাতালটি এখনো আলোর মুখ দেখেনি। ফলে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন মহেশপুর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রামের মানুষ।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে ভৈরবা সাকোর খাল এলাকায় আড়াই ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে হাসপাতালটি উদ্বোধনের পর সাবেক টিএইচএ’র কাছে হস্তান্তর করেন ঠিকাদার। ১৬ কোটি ১৮ লাখ ৯৬ হাজার ২৩৮ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই হাসপাতালটি সীমান্তবর্তী মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্মাণ করা হলেও এখনো তার কার্যক্রম শুরু হয়নি। চালু না হওয়ায় হাসপাতালের ভবনটির বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ছে। পাহারাদার না থাকায় হাসপাতালের মালামাল চুরি হয়ে যাচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চিকিৎসা নিতে উপজেলা ও বিভিন্ন হাসপাতালে যেতে হয়। হাসপাতালটি চালু হলে আর দূরে যেতে হবে না। আমরা চাই হাসপাতালটি তাড়াতাড়ি চালু করা হোক।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, হাসপাতালটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সচিব স্যারের সঙ্গে কথা হয়েছে আগামী ১০ দিনের মধ্যে হয়ে যাওয়ার কথা বলেছে। 

তিনি আরও জানান, আমরা চেষ্টা করছি, অতি দ্রুত যাতে হাসপাতালটি চালু হয়। চালু হলে মহেশপুর, কোটচাঁদপুর অথবা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে আসতে হবে না। হাসপাতালটি চালু হলে প্রতি মাসে সীমান্ত এলাকার ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।