× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

ভরা মৌসুমে তালাবদ্ধ ঝিনাইদহ পাট অফিস, ভোগান্তিতে ব্যবসায়ীরা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

পাটের ভরা মৌসুমে ঝিনাইদহে পাট অধিদপ্তরের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয় দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পাট ব্যবসায়ীরা। লাইসেন্স নবায়ন কিংবা নতুন লাইসেন্সের প্রয়োজন নিয়ে অফিসে এলেও কর্মকর্তাদের না পেয়ে বারবার ফিরে যেতে হচ্ছে তাদের।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে ঝিনাইদহে ২০ হাজার ২২৬ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে। এ সময় চাষিরা পাট কাটা ও জাগ দেওয়ার কাজে ব্যস্ত, আর ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত লাইসেন্সসংক্রান্ত কার্যক্রমে। কিন্তু সদর উপজেলার নিঝুম টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত পাট অধিদপ্তরের মুখ্য পরিদর্শকের কার্যালয় ও জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় অধিকাংশ সময়ই তালাবদ্ধ থাকায় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুটি অফিসই তালাবদ্ধ। দরজায় জরুরি প্রয়োজন ও লাইসেন্স-সংক্রান্ত যোগাযোগের জন্য দুটি মুঠোফোন নম্বর টাঙানো রয়েছে। সেখানে আসা দুই ব্যবসায়ী জানান, একজন পুরোনো লাইসেন্স নবায়ন এবং অন্যজন নতুন লাইসেন্স করতে এসেছেন। ফোন করলে একটি নম্বরে কল গেলেও কেউ রিসিভ করেননি। অন্য নম্বর থেকে তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যশোরে যেতে অথবা বিকাশে ফি পাঠিয়ে কুরিয়ারের মাধ্যমে কাগজ পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিন ধরেই তারা অফিসে এসে ফিরে যাচ্ছেন বলে জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অফিস দুটি প্রায়ই বন্ধ থাকে। দুই কর্মকর্তার মধ্যে একজন সম্প্রতি বদলির আদেশ পাওয়ার পর থেকে অফিসে আসছেন না। অন্যজন অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও নিয়মিত উপস্থিত হন না। ফলে লাইসেন্সসহ বিভিন্ন সেবা নিতে এসে ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাশের এক দোকানি বলেন, পাট অফিস প্রায় সব সময়ই বন্ধ থাকে। লোকজন এসে কাউকে না পেয়ে ফিরে যায়।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মুখ্য পরিদর্শক মো. তারেক রহমান বাপ্পী বলেন, তিনি যশোরে কর্মরত এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ঝিনাইদহ দেখাশোনা করেন। প্রয়োজন অনুযায়ী মাঝে মাঝে ঝিনাইদহে যান। তবে সপ্তাহের কোন দিন তিনি সেখানে অফিস করেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে সদ্য বদলির আদেশ পাওয়া জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পাট অধিদপ্তর যশোরের সহকারী পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, যশোরের একজন মুখ্য পরিদর্শক অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার কাজ দেখছেন। সপ্তাহের কোন দিন তিনি ঝিনাইদহে অফিস করেন, তা তার জানা নেই। তবে সংশ্লিষ্ট দুই জেলার অধিকাংশ কাজ যশোর থেকেই সম্পন্ন করা হয়।

Link copied!