× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২৬, ০৬:৩৮ এএম

১৫ ঘণ্টা ধরে চলছে উদ্ধার কাজ, আটকা পড়েছে একাধিক ট্রেন

আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২৬, ০৬:৩৮ এএম

ছবিঃ রূপালি বাংলাদেশ

ছবিঃ রূপালি বাংলাদেশ

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটীগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামে লাইনচ্যুত হওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও উদ্ধার কাজ শেষ হয়নি। এতে আক্কেলপুর স্টেশনের উত্তর ও দক্ষিণমুখী রেল চলাচল ব্যাহত হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে সরেজমিনে আক্কেলপুর রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সান্তাহার হয়ে খুলনা, রাজশাহী ও ঢাকাগামী যাত্রীরা দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করছেন।

খুলনাগামী রকেট মেইল ও রাজশাহীগামী বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনে থাকা যাত্রীরা জানান, দুপুর ২টার দিকে দুর্ঘটনার পর থেকেই দুটি ট্রেন আক্কেলপুর স্টেশনে আটকে আছে।

ট্রেনে থাকা কয়েক'শ বস্তা কাঁচামাল মরিচ, শস্য, আলু, মাছ ও বেগুন সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারলে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ ঘটনার কারণে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হতে বিলম্ব হওয়ায় যাত্রীদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন অনিশ্চয়তা ও আর্থিক ক্ষতির মুখে। কিছু যাত্রী বিকল্প পথ বেছে নিচ্ছেন।

যাত্রী পরিতোষ কুমার বলেন, সকালে বিরামপুর স্টেশন থেকে খুলনার পোড়াদহ যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্রেনে উঠেছিলাম। কিন্তু দুপুর থেকে ট্রেনটি আক্কেলপুরেই দাঁড়িয়ে আছে। স্টেশন মাস্টারের কাছ থেকেও সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

আরেক যাত্রী ও ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বলেন, চিলাহাটি থেকে কাঁচা মরিচ ও শস্য নিয়ে ভেড়ামারার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। কিন্তু দুপুর থেকে ট্রেন এখানে আটকে আছে। এভাবে থাকলে মাল নষ্ট হয়ে যাবে। ১০ টাকার পণ্য ৫ টাকাতেও বিক্রি করা যাবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। সামনে ঈদ ক্ষতির আশঙ্কায় আছি।

দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষমাণ যাত্রী মো. লেবু হোসেন বলেন, নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে করে চিলাহাটিতে যাওয়ার কথা ছিল। প্রায় ৮ ঘণ্টা হয়ে গেল, এখনো কোনো ট্রেন পাইনি। কখন বাড়ি পৌঁছাব, তারও নিশ্চয়তা নেই। বাড়িতে ছেলে-মেয়ে অপেক্ষায় আছে।

অন্যদিকে, একতা এক্সপ্রেসে আসা কিছু যাত্রী দুর্ঘটনাস্থলে আটকে পড়ার পর প্রায় ৫ কিলোমিটার হেঁটে বিকল্প ট্রেনে উঠেছেন। রেল কর্তৃপক্ষ তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান তারা।

আক্কেলপুর রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার এএসএম রেহেনা পারভীন জানান, নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সান্তাহার থেকে ছাতিয়ানগ্রাম এলাকায় লাইনচ্যুত হয়েছে। ফলে খুলনাগামী রকেট মেইল, বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ও তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেন আক্কেলপুর স্টেশনে আটকে আছে।

তিনি আরও বলেন, “লাইন এখনো ক্লিয়ার হয়নি। সান্তাহার থেকে ট্রেনগুলো ঢাকা, খুলনা ও রাজশাহীগামী যাত্রী নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং উত্তরমুখী যাত্রীদের ছাতিয়ানগ্রাম থেকে বিকল্প ব্যবস্থায় চিলাহাটি ও পঞ্চগড়ে পাঠানো হচ্ছে। উদ্ধারকাজ শেষ হতে আরও সময় লাগবে।”

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!