খুলনার উপকূলীয় অঞ্চল কয়রা উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ধান আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মূল্য বৃদ্ধিতে চিন্তিত তারা। কেউ ধানের চারা রোপণ করছেন, আবার অনেকে ধান রোপণের কাজ শেষ করেছেন। ভোরে কাক ডাকার সময় থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা।
কয়রা উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কয়রা উপজেলায় ৫ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে ধান আবাদের টার্গেট রয়েছে। এ বছর ৯০০ কৃষককে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে।
কয়রা উপজেলার মাদারবাড়িয়া বিলের কৃষক বাবুল সরদার বলেন, আমি প্রতিবছর ধান লাগাই। এ বছর ৫ বিঘা জমিতে ধান লাগাচ্ছি। ধানের চারা রোপণের কাজ শেষ হয়েছে।
একই এলাকার কৃষক শাখাত সরদার ও টুকু গাজী বলেন, আমরা জমি হারি নিয়ে ধান লাগাচ্ছি। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান ক্ষেতে কাজ করি।
ভগবা বিলের কৃষক মোঃ আঃ রহিম বলেন, আমি এ বছর ২ বিঘা জমিতে ধান লাগাচ্ছি। ধানের চারা রোপণের কাজ শেষ করেছি। ধান রক্ষায় চারপাশে নেট দিয়ে বেড়া দিয়েছি। এবছর শ্রমিকের দাম অনেক বেশি। আবহাওয়া ভালো থাকলে বাম্পার ফসল হবে।
ঘুগরাকাটী বিলের কৃষক রফিকুল ও সালাউদ্দিন জানান, আমি এ বছর ৫০ বিঘা জমিতে ধান লাগাচ্ছি। ধান রোপণের কাজ চলছে।
ইসলামপুরের কৃষক আমিরুল বলেন, আমি এবার ৪ বিঘা জমিতে ধান আবাদ করবো। ধান লাগানোর জন্য জমিতে চাষাবাদের কাজ চলছে। এ সপ্তাহে ধান রোপণ শুরু করবো।
কয়রা সদর ইউনিয়নের কৃষক মোঃ আঃ খালেক বলেন, আমি প্রতিবছর ধান লাগাই। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও বাম্পার ফসল হবে।
বাগালী ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ আল মাহফুজ বলেন, আমরা সবসময় কৃষকদের পাশে থেকে পরামর্শ দিচ্ছি।
কয়রা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তিলোক কুমার জানান, কয়রা উপজেলার সকল ধান চাষিকে আমরা পরামর্শ দিচ্ছি। আমাদের উপ-সহকারী কৃষি অফিসারগণ মাঠে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে। কৃষি অফিস সবসময় কৃষকের পাশে আছে।


