× UCB Sticker Card
শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ০১:২৮ পিএম

তাড়াইলে ১ কিলোমিটার কাঁচা সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে তিন গ্রামের মানুষ

তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৮, ২০২৬, ০১:২৮ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার তালজাঙ্গা ইউনিয়নের বান্দুলদিয়া মাদ্রাসা থেকে খালপাড় ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার কাঁচা সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তিন গ্রামের হাজারো মানুষ। বর্ষা মৌসুমে টানা বৃষ্টিতে সড়কটি কাদায় পরিণত হওয়ায় শিক্ষার্থী, মুসল্লি, কৃষক, ব্যবসায়ী, পথচারী ও যানবাহন চালকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও কাদা জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি পিচ্ছিল হয়ে যায়। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বান্দুলদিয়া, কার্তিকমিলা ও আকুবপুর গ্রামের হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন। এ ছাড়া বান্দুলদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, মসজিদের মুসল্লি এবং সাধারণ মানুষ এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল।

ওই এলাকার কয়েকজন অটোরিকশা চালক বলেন, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হয়। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। রাস্তার কারণে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে অতিরিক্ত মেরামত ব্যয় বহন করতে হচ্ছে।

গ্রামের প্রবীণ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মতিউর রহমান ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাজী আব্দুর রশিদ বলেন, এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। তিন গ্রামের মানুষের প্রধান যাতায়াতের পথ এটি। দ্রুত সড়কটি পাকাকরণ করা না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, এই কাঁচা রাস্তা দিয়ে মালামাল পরিবহন করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায় লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।

ওই এলাকার ইউপি সদস্য হারিস উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, বিগত সরকারের আমলে ৪০ দিনের কর্মসূচির আওতায় এই সড়কে মাটি কাটার কাজ করা হয়েছিল। পরে সরকার পরিবর্তনের পর সড়কটি ইটের সলিং করার জন্য তালজাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বরাবর লিখিত আবেদন করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পপি খাতুনের কাছেও এলাকাবাসী সড়কটি সংস্কারের দাবিতে লিখিত আবেদন করেছিলেন। তবে সে সময় কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পরে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা আখতারের কাছে এলাকাবাসীর পক্ষে সাংবাদিক হুমায়ুন রশিদ জুয়েল আরেকটি লিখিত আবেদন করেন। আবেদনে বান্দুলদিয়া মাদ্রাসা থেকে খালপাড় ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার সড়কটি দ্রুত ইটের সলিং বা পাকাকরণের দাবি জানানো হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা আখতার বলেন, বর্তমানে সড়কটি উন্নয়নের জন্য তালজাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। আশা করছি, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খুব শিগগিরই সড়কটির উন্নয়নকাজ শুরু করা যাবে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সড়কটির উন্নয়নকাজ শুরু করবে। সড়কটি সংস্কার হলে বান্দুলদিয়া, কার্তিকমিলা ও আকুবপুর গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত হবে এবং স্থানীয় শিক্ষা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!