× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১০:৫৩ এএম

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে কুড়িগ্রাম, তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির ঘরে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ১০:৫৩ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশের উত্তরের সীমান্তঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রাম। শীতে জবুথবু হয়ে পড়ছে মানুষসহ প্রাণিকুল। চলতি জানুয়ারি মাসে আরও এক থেকে দুটি শৈত্যপ্রবাহ জেলাজুড়ে বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে স্থানীয় রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ অফিস।

রাজারহাট আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ।

এর আগে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১০.৫ ডিগ্রি এবং সোমবার (৫ জানুয়ারি) ছিল ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এতে করে গত দুই দিনে তাপমাত্রা কমেছে প্রায় ৫ ডিগ্রি।

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, তাপমাত্রা আরও নিম্নগামী হয়ে জেলাজুড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলতি মাসে আরও এক থেকে দুটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বোচ্চ হওয়ায় এবং উত্তরীয় হিমেল বাতাসের প্রভাবে মানুষ কাবু হয়ে পড়েছে।

পৌষের শেষে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে উত্তরের এ জনপদ। হিমেল হাওয়ায় জেলার বিভিন্ন স্থানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে।

সূর্যের দেখা না মেলায় তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় চরম বিপাকে পড়েছেন খেটে-খাওয়া দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। ঠান্ডার কারণে সময়মতো কাজে না গেলে উপার্জন কমছে, ফলে পরিবার নিয়ে কষ্টে আছে এসব শ্রেণির মানুষ।

কুড়িগ্রাম সদরের ধরলা নদীর বাঁধে বসবাসরত রাজমিস্ত্রী আমজাদ হোসেন বলেন, এই হাড়কাঁপানো ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় কাজ করা খুবই অসুবিধাজনক। ঠান্ডায় ঘর থেকে বের হওয়া যায় না। অভাবী সংসার কাজ না করলেও চলবে না। ঠান্ডায় কাজও কমে গেছে। পরিবার নিয়ে কষ্টে আছি।

চর ভেলাকোপা এলাকার গৃহকর্মী লাইলী বেগম বলেন, অন্যের বাড়িতে কাজে যাচ্ছি। ঠান্ডায় গা কাঁপছে। শরীর অবশ হয়ে যাচ্ছে, হাত-পা ব্যথা করছে। আমরা গরিব মানুষ, কাজ না করলে খাব কী?

কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার একতা পাড়ার গৃহবধূ সালেহা বেগম বলেন, ঠান্ডায় অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে বিপদে আছি। এই ঠান্ডায় কেউ একটি শীতবস্ত্রও দেয়নি। এখানকার সব মানুষই অভাবী, আর খোঁজখবর কেউ নেয় না।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন জানান, ইতোমধ্যে জেলার ৯টি উপজেলায় ২৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। তবে চরাঞ্চলের শীতার্ত মানুষ বলছেন, এই সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!