কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দায়িত্বে সরকারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও সমর্থকরা। এ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আলাউদ্দিন ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা লিটু আহমেদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারীরা বলেন, মৃত ব্যক্তি ও আওয়ামী লীগের পদধারী শিক্ষক, স্বাস্থ্য সহকারী ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের নাম সঠিক যাচাই-বাছাই ছাড়াই ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষকরা জানান, বিগত নির্বাচনেও নিরপেক্ষ শিক্ষকদের ভোট গ্রহণের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।
চূড়ান্ত তালিকা অনুসারে, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ৪০০ জনের মধ্যে ৫০ জন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ৬৬ জনের মধ্যে ১৫ জন এবং পোলিং অফিসার ৭৮৮ জনের মধ্যে অনেকেই আ.লীগের পদধারী বা সমর্থক।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন
আনিসুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহকারী শিক্ষক।
সিরাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাদ্রাসার শিক্ষক।
মো. ফুল মিয়া, ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি ও কলেজ প্রভাষক।
মির্জা রকিম আহমেদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ব্যাংক কর্মকর্তা।
মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও প্রধান শিক্ষক।
সানোয়ার হোসেন, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহকারী শিক্ষক।
সাদিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য সহকারী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা লিটু আহমেদ জানান, অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। দায়িত্ব প্রদান-সংক্রান্ত অভিযোগে কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আলাউদ্দিন জানান, তালিকা প্রকাশ করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত জানি না।


