কুড়িগ্রামের চিলমারী নৌবন্দরে ‘মাস্তুল’ নামে একটি হাউসবোট নিয়ম ভঙ্গ করে অবৈধ ভ্রমণ বাণিজ্য চালাচ্ছে। এই নৌযানটি কোনো রুট পারমিট বা অনুমোদন ছাড়াই চিলমারী নৌবন্দর থেকে ব্রহ্মপুত্র নৌপথে মাসাধিককাল ধরে যাত্রী পরিবহন করছে।
নৌবন্দর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে হাউসবোটটি চিলমারী নদীবন্দরে অবস্থান করছে। ভ্রমণ বাণিজ্যের নামে প্রতিদিন মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে, যার ফলে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্থানীয় নৌকার মাঝিরাও এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রমনা ঘাট ইজারাদার বলেন, বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ অবৈধ নৌযানকে ঘাটে ভিড়তে দিয়েছে। ভ্রমণের নামে হাউসবোটে মাদক ও জুয়ার আসর বসানো হয়, কিন্তু কর্তৃপক্ষ নীরব।
উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম স্বপন বলেন, হাউসবোটটি যদি আইন অনুযায়ী বৈধভাবে চলে, আমরা সহযোগিতা করব। অবৈধভাবে বাণিজ্য করলে তা গ্রহণযোগ্য নয়। কর্তৃপক্ষকে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
হাউসবোটের মালিক শাকিব বলেন, রুট পারমিট নেই, তবে পোর্ট অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে আবেদন জমা দিয়েছি। সেই ভিত্তিতে বন্দরে অবস্থান করছি।
চিলমারী নদীবন্দরের পোর্ট অফিসার পুতুল চন্দ্র বলেন, মাস্তুলের কোনো বৈধ রুট পারমিট নেই। তারা কেবল ভ্রমণের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে এসেছে। ঈদের আগে হাউসবোট চলে যাবে। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


