× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২, ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম

পাঠদানের সময় ভেঙে পড়ল স্কুলছাদের পলেস্তারা, আহত ৩ ছাত্রী

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২, ২০২৬, ০৭:১৫ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরে রায়পুর উপজেলার জনকল্যাণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠদানের সময় শ্রেণিকক্ষের ছাদের পলেস্তারা ও বিমের একটি অংশ ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পাঠদানের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আহত শিক্ষার্থীরা হলো—ঋতু বণিক, নাদিয়া আক্তার ও সামিয়া আক্তার। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলাকালে হঠাৎ ছাদের পলেস্তারা ও বিমের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। এতে বিকট শব্দ হয়। ঘটনায় তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীরা প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি করে শ্রেণিকক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। শ্রেণিকক্ষের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ছাদের পলেস্তারা ও বিম ভেঙে পড়ার দৃশ্য এবং শিক্ষার্থীদের হুড়োহুড়ির চিত্র দেখা গেছে। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভবনটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ঝুঁকি নিয়েই তারা ক্লাস করে আসছিল। নিরাপদ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নিশ্চিত করতে দ্রুত ভবন সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছে তারা। তা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল মান্নান পাশা বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এতে কয়েকজন ছাত্রী আহত হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সেলিম বলেন, বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান চালানো হচ্ছিল। বিষয়টি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার জানানো হলেও কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। আহত শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

রায়পুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়টি তাদের জানা ছিল এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে বরাদ্দ না থাকায় এখনো কোনো উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Link copied!