× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম

ওসির সঙ্গে আ.লীগ নেতাদের গোপন বৈঠকের গুঞ্জন, যা জানা গেল

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৪:২৬ পিএম

হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। ছবি- সংগৃহীত

হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। ছবি- সংগৃহীত

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে গোপন বৈঠকের অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উপজেলার সির্ন্দুনা এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমজাদ হোসেন তাজুর বাসায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

তবে বৈঠক নয়, এটি একটি দাওয়াতের অনুষ্ঠান ছিল বলে স্বীকার করেছেন আমজাদ হোসেন তাজুর পরিবার ও এক পুলিশ কর্মকর্তা।

জানা গেছে, লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ডামি প্রার্থী ছিলেন আমজাদ হোসেন তাজু। তিনি একাধিক মামলার আসামি এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে তার বাসায় দাওয়াতের নামে আওয়ামী লীগের নেতাদের একটি গোপন বৈঠক বসে। ওই বৈঠকে উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্তত ছয় জন নেতা উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকে হাতীবান্ধা থানার ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ যোগ দেন। বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের নেতাদের দাওয়াত অনুষ্ঠানে অংশ নেন ওসি শাহীন। বিষয়টি জানাজানি হলে লোকজন জড়ো হতে থাকে। ফলে দ্রুত ওই বাসা ত্যাগ করেন ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।

অপর একটি সূত্র জানায়, ওই বৈঠকে হাতীবান্ধার বাসিন্দা এবং জেলার বাইরে কর্মরত প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়টি নিয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ কোনো কথা বলতে রাজি হননি। তবে আমজাদ হোসেন তাজুর স্ত্রী শাপলা আক্তারের দাবি, বৈঠক নয়, বাসায় একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান ছিল। সেই দাওয়াতে ওসি এসেছিলেন।

এদিকে লালমনিরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) জয়ন্ত কুমার সেন জানান, ওই বাসায় দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। সেই কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে ওসি শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ সেখানে গিয়েছিলেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!