লালমনিরহাটে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গত দুই দিনের ধারাবাহিক অভিযানে চক্রটির সক্রিয় চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশ।
প্রথমে হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী পুলিশ ক্যাম্পের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানোর সময় একটি লাল-কালো রঙের ১৫০ সিসি পালসার মোটরসাইকেলসহ মো. তুহিন ইসলাম ও সাদেকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলটির কোনো বৈধ কাগজপত্র বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল না।
পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে শিমুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার বাড়ি থেকে একটি ‘ডিসকভার-১৩৫’ মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
এরপর একই উপজেলার লতাবর গ্রামে অভিযান চালিয়ে হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তারসহ একটি ‘হোন্ডা শাইন ১২৫ সিসি’ মোটরসাইকেল উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলার মো. খাদেমুল ইসলামের ছেলে মো. তুহিন ইসলাম (৩০), লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের মো. শাহাদৎ হোসেনের ছেলে সাদেকুল ইসলাম শাওন (৩৬), কালীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা মো. শিমুল মিয়া (২৮) এবং একই উপজেলার লতাবর গ্রামের বাসিন্দা মো. হাবিবুর রহমান (২৭)।
ডিবি জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্য। তারা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে লালমনিরহাটসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে বিক্রি করত।
এ ঘটনায় হাতীবান্ধা থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। চুরি রোধে পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন