ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে লালমনিরহাট-১ ও লালমনিরহাট-২ আসনে ৪৭ বছর পর এবং লালমনিরহাট-৩ আসনে ২৫ বছর পর বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন।
লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মো. হাসান রাজীব প্রধান। তিনি ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ ভোট পেয়ে জামায়াতে ইসলামীর মো. আনোয়ারুল ইসলামের (১ লাখ ২৯ হাজার ৫৭২ ভোট) চেয়ে জয়ী হয়েছেন।
ইতিহাস অনুযায়ী, ৪৭ বছর আগে ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী নুরুজ্জামান ২৩ হাজার ৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের মনোনীত আবিদ আলী, যিনি ২০ হাজার ২৮৬ ভোট পান।
লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মো. রোকন উদ্দীন ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. ফিরোজ হায়দার ১ লাখ ১৭ হাজার ২৫২ ভোট পেয়েছেন।
এ আসনেও ৪৭ বছর আগে, ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মজিবুর রহমান ২২ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের শাহ আলম। মজিবুর রহমান ৮ হাজার ৩৩১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।
লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির আসাদুল হাবিব দুলু ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. আবু তাহের ৫৬ হাজার ২৪৪ ভোট পেয়েছেন। আসাদুল হাবিব প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৮৩ হাজার ৪০৭ ভোটে এগিয়ে থাকেন।
ইতিহাস অনুযায়ী, এই আসনে ২৫ বছর আগে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসাদুল হাবিব ৬৩ হাজার ৩৫৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের আবু সাঈদ দুলাল (৪২ হাজার ৯১২ ভোট)।
এর আগে, ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে লালমনিরহাট-৩ আসন থেকে বিএনপির রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ ২২ হাজার ৫৭৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের আবুল হোসেন (২১ হাজার ৪৭২ ভোট)।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন