ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

চোরাই দুটি মোটরসাইকেলসহ ২৭ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মৌলভীবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখার বিশেষ অভিযানে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল, পার্টস এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতিসহ মিল্টন সরকার (৪৯) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২ জানুয়ারি দুপুরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বরহাট এলাকার ‘রাজা কমপ্লেক্স’ নামক বাসার গ্যারেজ থেকে আজহারুল ইসলামের মালিকানাধীন একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে জেলা গোয়েন্দা শাখা মামলাটির তদন্ত শুরু করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোর্স, সিসিটিভি ফুটেজ এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে এসআই জামিল ও সহকারী অফিসাররা মঙ্গলবার রাতে শ্রীমঙ্গল থানাধীন ভাড়াউড়া বাগান এলাকা থেকে মিল্টন সরকার ওরফে মিল্টন কুমার সাহাকে গ্রেপ্তার করেন।

গ্রেপ্তারকৃত আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে সে জানায়, চোরাই মোটরসাইকেলটি সিলেট জেলার এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেছে। পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকায় চোরাই মালামাল মিল্টনের বর্তমান ঠিকানা মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সরকারবাজার এলাকার মাদ্রাসা-ই দারুল মোস্তফা থেকে উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত মিল্টন সরকার একজন পেশাদার ও সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং চক্রের অন্যতম মূল হোতা। দীর্ঘদিন ধরে সে সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে তা অজ্ঞাতনামা চোরাকারবারীদের কাছে বিক্রি করে আসছিল। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ২৭টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

মিল্টন নানা স্থানে নানা নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে প্রায় শতাধিক মোটরসাইকেল চুরি করেছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোবেল চাকমা, সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খায়ের ও সদর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম প্রমূখ।