× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ১১:২৭ এএম

মাছবাজারের টোল নির্ধারণে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ১১:২৭ এএম

মাছবাজারের টোল নির্ধারণে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মাছবাজারের টোল নির্ধারণে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মুন্সীগঞ্জ শহরের মাছবাজারে টোল নির্ধারণ-সংক্রান্ত টেন্ডারের দুটি রেট চার্টের কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বিকল্প হিসেবে অন্য একটি ক্রমিক অনুযায়ী টোল আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) হাইকোর্ট এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম।

জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা প্রতিবছরের মতো চলতি বছরও শহরের প্রধান মাছবাজার ইজারা দেওয়ার জন্য গত ২৬ ফেব্রুয়ারি টেন্ডার আহ্বান করে। তবে টেন্ডার শিডিউলের ৭৬ ও ৭৭ নম্বর ক্রমিকের রেট চার্টে অসামঞ্জস্য ও অতিরিক্ত টোল আরোপের অভিযোগ তুলে মুন্সীগঞ্জ মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।

শিডিউল অনুযায়ী, ৭৬ নম্বর ক্রমিকের অধীনে মাছ পাইকারি বিক্রি করলে বিক্রয়মূল্যের ওপর শতকরা ৪ টাকা এবং ৭৭ নম্বর ক্রমিক অনুযায়ী মাছের দোকানে বসে খুচরা বিক্রি করলে শতকরা ৩ টাকা টোল দিতে হবে। কিন্তু একই শিডিউলের ৭৮ ও ৭৯ নম্বর ক্রমিক অনুযায়ী মাছের বড় দোকান বা চাটাই প্রতি ৭ টাকা এবং ছোট দোকান বা চাটাই প্রতি ৫ টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে।

মৎস্য ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারের অন্য পণ্যের ক্ষেত্রে এ ধরনের শতকরা হারে টোল আদায়ের বিধান নেই। শিডিউলের ৫১ নম্বর আইটেমে কাঁচামাল ও তরিতরকারির বড় দোকান প্রতি ১২ টাকা এবং ছোট দোকান প্রতি ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে ৮০ নম্বর ক্রমিক অনুযায়ী হাঁস-মুরগি ও পাখির খাঁচা প্রতি ১০ টাকা এবং ১৫৭ নম্বর ক্রমিক অনুযায়ী গরুসহ সব ধরনের মাংস বিক্রেতার দোকানপ্রতি ১২ টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব ক্ষেত্রেও বিক্রয়মূল্যের ওপর শতকরা হারে টোল আদায়ের বিধান নেই।

ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, মাছের ক্ষেত্রে আলাদা করে শতকরা হারে টোল নির্ধারণ করায় তাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে। এ কারণেই তারা আদালতের শরণাপন্ন হন।

পৌরসচিব আব্দুর রব জানান, আদালতের কাগজ কোর্টের মাধ্যমে আসলে এটি গ্রহণ করা সম্ভব কিন্তু আমাদের পক্ষে কোর্টের মাধ্যম ছাড়া চিঠি গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

পৌর প্রশাসক মৌসুমী মাহাবুব বলেন, শহরের মাছবাজার টেন্ডার স্থগিগের হাইকোর্টের আদেশ এখনো হাতে পাইনি। যদি হাতে পাই তাহলে অবশ্যই টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত করা হবে, নতুবা টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!