মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বাড়িতে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (৮ মার্চ) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়নের রুদ্রপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- মিজানুর রহমান (৩০), মিনু বেগম (৫২), জয়তুন বেগম (৬০), কাজল বেগম (৪০), ইভা আক্তার (৩০), নুপুর বেগম (৩২), সাথী বেগম (৫৫), মুস্তাকিম (৫), আমান (৪), ফাহিমা (২০), দোলন (৩০), আলামিন খান (২৭), খোরশেখ খান (৬৫), খইদ্রিস খান (৪০) ও সাফি বেগম (২৫)। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় জয়তুন বেগম ও মিনু বেগমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মান্নান খা ও তার চাচা হারুন খায়ের সঙ্গে মিজানুর রহমানের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন বিকেলে কাদিরের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে মান্নান খার লোকজন মিজানুর রহমানকে মারধর করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
রাতে তারাবির নামাজের পর মান্নান খা, হারুন খা ও আমিন খাসহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিজানুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বাড়িতে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুর চালালে নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন।
খবর পেয়ে শ্রীনগর থানা পুলিশ ও র্যাব-১০-এর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে আটক করে। আটকরা হলেন- মান্নান খান (৬৫), হারুন খান (৮০) ও মহসিন খান (২৯)।
এ সময় হারুন খানের কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক এবং একটি পিস্তল জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আনিছুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তার ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, লাইসেন্স করা একনলা বন্দুক থেকে তিন রাউন্ড গুলি করা হয়েছে। জব্দ করা অস্ত্রের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।

