× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

অধ্যক্ষকে অফিস কক্ষে রেখে বাইরে থেকে তালা দিলেন শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

অনিয়ম-দুর্নীতি ও ভর্তিসহ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

অনিয়ম-দুর্নীতি ও ভর্তিসহ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে অনিয়ম-দুর্নীতি ও ভর্তিসহ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে আলীনগর কারিগরি ও বাণিজ্যিক কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোস্তুফা কামালের অপসারণ দাবিতে কলেজের একাংশ শিক্ষার্থী বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। একপর্যায়ে তারা অধ্যক্ষকে তার অফিস কক্ষে রেখে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে দেন।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আলীনগর কারিগরি ও বাণিজ্যিক কলেজে এ আন্দোলন চলে। খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ৭ ঘণ্টা পর বিকেল ৪টার দিকে তালা খুলে অধ্যক্ষকে উদ্ধার করেন এবং তাকে উপজেলা সদরে নিয়ে যান।

স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতি, ভর্তিতে অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থীরা অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষকে ‘স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সদস্য’ ও ‘হাসিনার দোসর’ বলেও অভিযোগ করেন।

এছাড়া আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সকাল ১০টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে মিছিল করে অধ্যক্ষের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। এ সময় অধ্যক্ষ নিজ কক্ষের ভেতরেই অবস্থান করছিলেন। এরপর শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে অধ্যক্ষের প্রত্যাহারের দাবি জানাতে থাকেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অধ্যক্ষ নিজের ইচ্ছামতো ভর্তিসহ নানা অজুহাতে অতিরিক্ত টাকা নির্ধারণ করে তা আদায় করেন। পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দ যথাযথভাবে কাজ না করেই তছরুপ করা হয় বলেও তারা দাবি করেন।

শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ, ভর্তি ও ফরম পূরণের টাকা ছাড়াও কলেজের বিভিন্ন ফি অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে পাঠাতে বাধ্য করা হয়।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মো. মোস্তুফা কামাল জানান, তিনি কোনো ধরনের অনিয়ম করেননি। কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ব্যবহার করে বহিরাগত একটি চক্র এবং স্বার্থান্বেষী কিছু শিক্ষক মিথ্যা অভিযোগ তুলে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!