ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমের মরদেহ বাড়ির দিকে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় স্বজনরা মরদেহটি নিয়ে রওনা দেন।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, বুধবার বিকেল ৩টার দিকে শেরপুরের ঝিনাইগাতি স্টেডিয়াম মাঠে নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক আহত হন।
গুরুতর আহত অবস্থায় রেজাউল করিমকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে, রাত ১০টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষ একে অপরের দিকে চেয়ার ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় পুরো স্টেডিয়াম এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সন্ধ্যার পর জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীরা পুনরায় মুখোমুখি হলে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তবে পরিস্থিতি আবারও সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং উভয়পক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। আহতদের ঝিনাইগাতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও শেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বর্তমানে ঝিনাইগাতি এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এলাকায় কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।

-20260129132652.webp)

