× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম

এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার আগামী এক মাসের মধ্যে নিশ্চিত করা হবে এবং হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। একটি নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তাহলেই আমরা এগিয়ে যেতে পারব, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।

শনিবার (২৩ মে) বেলা ২টা ২০ মিনিটে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের দরিয়ারপুর গ্রামের ধরার খাল পুনঃখননের উদ্বোধন শেষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জনগণ যেহেতু বিএনপিকে ভোট দিয়ে সরকার গঠনের ক্ষমতা দিয়েছে, সেই কারণেই তাদের জ্বালা হচ্ছে। আর এই জ্বালার কারণেই তারা এসব কর্মকাণ্ড করছে। তাই তো আমরা ধরে নেব, তাই নয় কি?

তিনি বলেন, দেশে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে মানুষের জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে একটি দল। যারা এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে চেষ্টা করছে, তারা কৃষকদের নিয়ে কোনো কথা বলে না। তারা দেশের মানুষের কর্মসংস্থান নিয়েও কোনো কথা বলে না। যারা ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়, তারা রাস্তাঘাট বন্ধ করে অবরোধ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু কৃষকের খাল কাটার কথা বলে না, কৃষক কার্ডের কথা বলে না। তারা গ্রামের ছোট ছোট শিশু কীভাবে খালি পায়ে স্কুলে যায়, সেদিকেও খেয়াল করে না। তাদের নতুন পোশাক দেওয়ার কথাও বলে না।

তিনি আরও বলেন, আজ যারা দেশে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়, তাদের বিষয়ে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। কারণ তারা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইছে। তারা যদি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, তাহলে সারা দেশে খাল খননের কাজ বন্ধ হয়ে যাবে।

দেশের সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে দেশের সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা যদি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, তাহলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ বন্ধ হয়ে যাবে। কৃষক কার্ড বিতরণও বন্ধ হয়ে যাবে। ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের সম্মানী দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। অন্যান্য ধর্মের ধর্মগুরুরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

তিনি বলেন, গ্রামের শিশুদের জন্য নতুন স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেটিও বন্ধ হয়ে যাবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে গ্রামের শিশুরাই। প্রত্যেক ক্ষেত্রে তাদের অরাজক পরিস্থিতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবে গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ।

সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে তিনি বলেন, তাই আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আপনারা পত্র-পত্রিকা পড়েন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের খবর দেখেন। ৫ আগস্ট যাদের বাংলাদেশের মানুষ দেশ থেকে বিতাড়িত করেছিল, এখন যারা অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাইছে, খোঁজ নিয়ে দেখেন— তারা তলে তলে আবার তাদের সঙ্গে সমঝোতা করেছে। যেভাবে ১৯৯৬ সালে করেছিল, যেভাবে ১৯৮৬ সালে করেছিল। তাদের সঙ্গে এখন নতুন কয়েকটি ‘লেজ’ও গজিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এ দেশ থেকে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছি। বাংলাদেশের জনগণ রাজপথে নেমে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। যে স্বৈরাচার মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল এবং খেটে খাওয়া মানুষের উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধ করে দিয়েছিল— সেই স্বৈরাচারকে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনের মাধ্যমে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে।

নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশের মানুষ দেশ গঠন করতে চায়। তারা নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চায়। আর ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে সক্রিয় করতে হবে। দক্ষ শ্রমিক তৈরি করতে হবে। নতুন ব্রিজ, কালভার্ট, স্কুল, কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করতে হবে। তাহলেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব হবে।

দেশ গড়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষকে নিয়ে বিএনপির যে পরিকল্পনা, সেটিই আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। একই সঙ্গে দেখালাম, কীভাবে একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

Link copied!