শেরপুরের নকলায় বিদ্যুৎস্পর্শ হওয়া এক কৃষককে উদ্ধার করতে গিয়ে উদ্ধারকারী দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় প্রথম বিদ্যুৎস্পর্শ হওয়া কৃষককে গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের পোলাদেশী পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন পোলাদেশী গ্রামের কুবেদ আলীর ছেলে আঙ্গুর মিয়া (৫০) ও একই গ্রামের মিরাজ আলীর ছেলে মিন্টু মিয়া (৫৫) এবং আহত ব্যক্তি পোলাদেশী পশ্চিমপাড়া এলাকার আব্দুছ সামাদের ছেলে ছামিদুল হক (৫০)।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার শেষ বিকেলের দিকে ছামিদুল হক নিজের বৈদ্যুতিক পাম্প দিয়ে তার বোরো খেতে সেচ দিতে যান এবং যেকোনোভাবে বিদ্যুতের তাড়ে জড়িয়ে পড়েন। তাকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করতে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী আঙ্গুর মিয়া ও মিন্টু মিয়া বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে মারা যায়।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক ডা. মালিহা নুজহাত আঙ্গুর মিয়া ও মিন্টু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন এবং গুরুতর আহত ছামিদুল হককে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
ডা. মালিহা নুজহাত মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের ভাতিজা শাহিন মিয়া ঘটনা বিবরণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের পাঁচ কাহুনিয়া এলাকায় অজ্ঞাত এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত বৃদ্ধের আনুমানিক বয়স ৭০ বছর। বিভিন্ন মাধ্যমে মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা করছেন থানার পুলিশসহ এলাকাবাসী।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন